জোড়া ঘূর্ণাবর্ত রাজ্যে, ভারি ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

তাপমাত্রা এইবছর খুব বেশি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি তার কারণ নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণাবর্ত। এই দুইয়ের কারণেই এখনো পর্যন্ত স্বস্তিদায়ক আবহাওয়ার মধ্যেই রয়েছে রাজ্যবাসী। ভরা বৈশাখেও তাপমাত্রা যথেষ্টই আয়ত্বে। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নীচেই।

আজ শুক্রবারে কলকাতায় ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৬ ডিগ্রি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাণ ছিল ৫৫-৮৯ শতাংশ। উত্তরবঙ্গেও ঘূর্ণাবর্তের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণ ওড়িশাতে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। দুই ঘূর্ণাবর্তের জেরে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকেছে রাজ্যে। এর প্রভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গেও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও হালকা ঝড় হবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে আগামিকাল। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

সুমাত্রায় তৈরি ঘূর্ণাবর্ত বর্তমানে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। আজকেই সেই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিম্নচাপে প্রথমে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এবং পরে উত্তর উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে তা মায়ানমার উপকূলে প্রবেশ করবে। গভীর নিম্নচাপের সঙ্গে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ব‌ওয়ার সম্ভাবনা আছে। আজ থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর মৎস্যজীবীদের রবিবার পর্যন্ত প্রবেশ নিষেধ।

RELATED Articles

Leave a Comment