তৃণমূল প্রার্থী না জিতলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ, এলাকার মহিলাদের হুমকি ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের, হইচই এলাকায়

Villagers protested against TMC leader: লোকসভা নির্বাচন চলছে। ইতিমধ্যেই চার দফার ভোট হয়েছে। এখনও বাকি তিন দফার ভোট। জায়গায় জায়গায় চলছে প্রচার। বিপক্ষ দলকে শানাতে ছাড়ছে না অপর দল। এরই মধ্যে এবার উঠল এক বিস্ফোরক অভিযোগ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এলাকার মহিলাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে (Villagers protested against TMC leader)। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া হচ্ছে যে তৃণমূল প্রার্থী যদি না জেতে, তাহলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের অন্ডাল থানার এলাকার ধান্ডারডিহি গ্রামের বাউরি পাড়ায়। গত ১৩ মে ভোট ছিল বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটামুটি নির্বিঘ্নেই মিটেছে সেখানে ভোট। কিন্তু বাউরি পাড়ার মহিলাদের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল কর্মী গৌতম গড়াই বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের হুমকি দিচ্ছেন যে যদি তৃণমূল প্রার্থী না জেতেন, তাহলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে। গ্রামবাসীদের দাবী, উপরমহল থেকেই নিশ্চয় এই মদত পেয়েছেন তিনি (Villagers protested against TMC leader)

এক মহিলা জানান, “ভোট মিটতেই গৌতম গড়াই বাড়িতে এসেছিল। কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়েছি জানতে চায়। আমি উত্তর দিইনি। তখন গৌতম বলে এবার থেকে আর তোমাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে না। এইভাবে সবার বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে” (Villagers protested against TMC leader)

এই ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই এলাকায় (Villagers protested against TMC leader)। এলাকাবাসীদের উত্তেজনার খবর পেয়ে সেখানে যায় অন্ডাল থানার পুলিশ। গৌতম গড়াই এই বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে অবশ্য পুলিশের চাপে এলাকাবাসীদের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন তিনি।

বলে রাখি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হল রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তৃণমূল তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর চালু হয় এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে বর্তমানে রাজ্যের মহিলারা মাসে ১০০০ টাকা ভাতা পান আর তফশিলি জাতির মহিলারা পান মাসিক ১২০০ টাকা।

RELATED Articles