Wall Writing of TMC: আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু দেশের সবথেকে বড় নির্বাচন লোকসভা ভোট। প্রথম দফা অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে। এই মুহূর্তে সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। মিটিং, মিছিল, সভা অর্থাৎ বিপক্ষকে কেউই এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। আর এরই মধ্যে দেওয়াল লিখন নিয়ে বিতর্কে জড়াল তৃণমূল (Wall Writing of TMC)।
ভোট মানেই দেওয়াল লিখন। এই ঘটনা স্বাভাবিক। দেওয়াল লিখনে নানান ধরণের ছড়া কাটতেও দেখা যায় নানান দলকেই। নিজেদের দলের সমর্থনে ছড়া কেটে কেটে নানান লেখা হয়, ভোটের আর্জি জানানো হয়। বিপক্ষ দলকেও আক্রমণ করা হয় অনেক সময় দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে। কিন্তু তা বলে শাসক দলকে ভোট না দিলে ভোটার গাধা হয়ে যাবে (Wall Writing of TMC)? এমন কথা হয়ত আগে শোনা যায়নি।
কোথায় হয়েছে এমন দেওয়াল লিখন (Wall Writing of TMC)?
এমনই এক বিতর্কিত দেওয়াল লিখন দেখা গেল বর্ধমান শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে (Wall Writing of TMC)। সেখানে দেওয়াল লিখনে বিরোধী ভোটারদের ‘গাধা’ বলা হয়েছে শাসক দলের তরফে। তৃণমূলের এই দেওয়াল লিখন নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। রাজ্যের শাসক দলকে ভোট না দিলেই কী গাধা হতে হয়, উঠছে প্রশ্ন!
কী লেখা হয়েছে ওই দেওয়াল লিখনে (Wall Writing of TMC)?
ওই দেওয়াল লিখনে লেখা, “আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ, এই বিজেপিকে ভোট দেবে না গাধা ছাড়া আর কেউ”। শুধুমাত্র বিজেপিই নয়, সিপিএম, কংগ্রেসও এই দেওয়াল লিখনের বিরোধিতা করেছে (Wall Writing of TMC)। এমনকি সাধারণ ভোটাররাও এই দেওয়াল লিখন মজা বা স্বাভাবিকভাবে নেন নি। তাদের কথায়, এমন দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে মানুষকে ছোটো করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি সিংহ রায় বলছেন, “মানুষই গণতন্ত্রে শেষ কথা বলেন। আর গণতন্ত্রে বিরোধী মত তো থাকারই কথা। সেখানে প্রচারের মাধ্যমে মানুষকে নিজেদের রাজনৈতিক মত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। কিন্তু এই প্রচারে ভোটারকে গাধা বলা যায় না। আগে ওরা বলত উন্নয়ন দেখে ভোট হবে। এখন বলছে যে ভোট দেবে না তারা গাধা (Wall Writing of TMC)”।
অন্যদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “জনগণকে গাধা কেউ বলতে পারে না। এটা জনগণের উদ্দেশেও বলা হয়নি (Wall Writing of TMC)। এই পোস্টারের দ্বারা বোঝানো হয়েছে বিজেপি যেভাবে ভারতবর্ষটাকে নষ্ট করেছে, ভারতবর্ষের মানুষের যেভাবে গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে, জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে সেই উপলব্ধি থেকে মানুষ এই ধরনের ছড়া লিখছে”।





