‘আমি নিশ্চিত, এবারও মানুষ তাঁদের আর্শীবাদ, দুয়া, জোহার, সবটাই দেবেন’, পছন্দের কেন্দ্রে মনোনয়ন পেশ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ে’র

নিজের পছন্দের আসন পাননি শোভন চট্টোপাধ্যায়। ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন বিজেপি থেকে। কিন্তু সেখানেই সদ্য দল বদল করে বিজেপিতে আসা শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেদের পছন্দের আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন।

শুভেন্দু অধিকারী যখন নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তখন নিজের পছন্দের কেন্দ্র ডোমজুড় থেকেই পদ্মপ্রার্থী হয়েছেন রাজীব।

আর‌ও পড়ুন-মুখ্যমন্ত্রীর নামে মামলা, মমতার প্রার্থীপদ বাতিল?

এদিন নিজের মনোনয়ন পেশ করতে এসে প্রাক্তন বনমন্ত্রী বলেন, বিগত ১০ বছর মানুষের পাশে ছিলাম। মানুষের জন্য কাজ করেছি। কোনও জাত-পাত, দল দেখিনি, যেভাবে যে যখন এসেছেন, সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করেছি’। হাওড়ার জোমজুড় থেকে তৃতীয়বার জেতার বিষয়ে‌ও ‘নিশ্চিত’ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্টতই বললেন, ‘মানুষের সঙ্গে কখনও গদ্দারি করিনি। যাঁরা গদ্দার বলছেন, তাঁরা নিজেরা আগে আয়নার মুখ দেখুক’।

আর‌ও বলেন, যেভাবে যে যখন এসেছেন, সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। ডোমজুড়ে কতটা উন্নয়ন হয়েছে, মানুষ দেখেছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা পাশে ছিল, মানুষ জানে। আমি নিশ্চিত, এবারও মানুষ তাঁদের আর্শীবাদ, দুয়া, জোহার, সবটাই দেবেন’।

শনিবার রাতে তৃতীয় ও চতুর্থ দফার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে বিজেপির নির্বাচনী কমিটি। সূত্রের খবর, উক্ত বৈঠকে শুভেন্দুর মতোই নিজের পুরনো কেন্দ্র ডোমজুড় থেকেই প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়‌ও। রবিবার যখন বিজেপির প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হয়, তখন দেখা যায়, পছন্দমতো আসনেই তাঁকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

এদিন দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে হাওড়ার জেলাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন পেশ করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর‌ও পড়ুন-চূড়ান্ত হয়ে গেল বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী, কে সেই ভূমিপুত্র? জেনে নিন

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১১ ও ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ডোমজুড় থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় তৃণমূলত্যাগীদের প্রার্থী করা নিয়ে যখন গেরুয়াশিবিরে ক্ষোভ চরমে, তখন বিষয়টিকেও আমল দিতে নারাজ রাজীব। বরং বললেন, ‘এটাই প্রমাণ করে, ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসছে। এটাই প্রমাণ করে, দল বড় হচ্ছে। তৃণমূলের ক্ষেত্রেও এটা হয়েছিল। মানুষ যেমন মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, তেমনি তাঁর ব্যক্তিগত উচ্চাশাও থাকে। দল সবার সঙ্গে কথা বলবে, সবাইকে মান্যতা দেবে। সকলে একসঙ্গে মিলবে কাজ করব’।

RELATED Articles