সে কী! এ যে ভূতের মুখে রাম নাম শোনা যায়। দেবী কালীকে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে তুমুল বিতর্ক ছড়িয়েছে। এবার সেই বিতর্কে মুখ খুললেন তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষ (Sayani Ghosh)। তাঁর মতে, মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগকে কোনওভাবেই আঘাত করা উচিত নয়।
গতকাল, বুধবার মেদিনীপুর শহরে প্রদ্যুৎ স্মৃতি ভবনে ২১শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন সায়নী। সেই সভাতেই তিনি এমন মন্তব্য করেন। এর থেকে প্রশ্ন উঠছে যে শিবকে নিয়ে যখন তিনি বিতর্কমূলক একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন, সেই সময় তাঁর এই চেতনাবোধ কোথায় ছিল?
গতকালের এই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকের মুখোমুখি হন সায়নী ঘোষ। এদিন তাঁর কাছ থেকে মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এই প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রথমে কোনও উত্তর দিতে চান নি। উলটে তিনি সাংবাদিককে বলেন যে এখানে যে কর্মসূচিতে যোগদান করতে তিনি এসেছেন, তা নিয়ে যেন প্রশ্ন করা হয়।
কিন্তু সাংবাদিকও হাল ছাড়েন নি। ঘুরিয়ে সেই প্রশ্নই করেন সায়নীকে। আর এরপরই সায়নী বলেন, “একটি গণতন্ত্রে ফ্রি স্পিচের যেমন জায়গায় আছে, ক্রিয়েটিভিটির যেমন জায়গা আছে, তেমনই আমাদের মনে রাখা উচিত, মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগে যেন কোনওভাবে আমরা কষ্ট না দিই। আরও রেসপন্সিবল আমাদের সবার হওয়া উচিত। উই শ্যুড অ্যাক্ট ওয়াইসলি”।
বলে রাখি, শিবকে নিয়ে অবমাননাকর ছবি টুইট করার অভিযোগে মহুয়া মৈত্রের মতোই বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সায়নী। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সেই টুইট ঘিরে সারা রাজ্য তোলপাড় হয়। ২০১৫ সালের শিবরাত্রিতে করা সেই টুইট নিয়ে সায়নী তখন সাফাই দিয়ে বলেছিলেন, তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। এরপর একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলে যোগ দেন সায়নী। ভোটে না জিতলেও যুব তৃণমূলের সভানেত্রী করা হয় সায়নীকে।





