আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস (Weather update) অনুযায়ী আগেই বলা হয়েছিল যে, নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) আর ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে আরব সাগরে (Arabian Sea)। তবে এই জোড়া ঝড়ের প্রভাবে আমাদের রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কারণ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) কোনও ভারী বৃষ্টির (Heavy rainfall) সম্ভাবনা নেই।
নিম্নচাপের কারণে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হওয়ায় মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ উপকূলে একটি অতি গভীর নিম্নচাপ অবস্থান করছে। এই অতি গভীর নিম্নচাপ আরব সাগরের নিম্নচাপের সাথে মিশে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে।
এই ওমানের দিকে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ হবে। এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিম ভারতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তার বাইরে বিশেষ কোনও প্রভাব পড়বে না। সকাল থেকেই শহর কলকাতার আকাশ পরিস্কার থাকবে। কলকাতা শহরের আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে একটু মেঘলা হবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বিকেলের দিকে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। কলকাতাতে এই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। গতকাল শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।
শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে এটি ১ ডিগ্রি বেশি। আজ বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫৬-৯৮ শতাংশ। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের অভিমুখ বাংলাতে না পড়লেও আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আপাতত কিছুটা কম থাকবে।
তবে কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই। সোমবার থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার জন্য অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার কয়েকটি জেলায় দু চার পশলা বৃষ্টিপাত হতে পারে। রবি ও সোমবার রোদের জন্য অস্বস্তি বাড়বে। তবে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।





