মহাশিবরাত্রিতে সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। ইতিমধ্যেই বৃষ্টিও শুরু হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু জেলায়। আজ, শনিবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তী, কুলতলি, গোসাবা, ক্যানিং, বারুইপুর, জয়নগর-সহ নানান জায়গায়। সুন্দরবনেও বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও ঝেঁপে বৃষ্টি তো কোথাও আবার ঝিরঝিরে। এরপরও বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল, রবিবারও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের জেলা ও উপকূলসংলগ্ন জেলাগুলিতে কুয়াশা থাকবে। পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় রবিবার থেকেই শীতের আমেজ উধাও হতে শুরু করবে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির উপরে থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আংশিক মেঘলা আকাশের জন্য শুক্রবার দিনের তাপমাত্রা কমলেও রাতের কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে।
আজ, শনিবার সকালের দিকে কিছুটা গরম অনুভূত হলেও বিকেলের দিকে আবহাওয়া মনোরম থাকবে বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৫২ থেকে ৯৪ শতাংশ।
মৌসম ভবনের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “শনিবারের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে ২০-২১ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রির আশপাশে পৌঁছে যেতে পারে”।
ফেব্রুয়ারি শেষ হতে এখনও বেশ কিছুদিন বাকি কিন্তু এরইমধ্যে গুজরাতের ভুজে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পেরিয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভুজ তো নয়ই, দেশের অন্যান্য কোনও জায়গাতেও ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা এমন হয়নি। রাজস্থান, মহারাষ্ট্রেও একই ধরণের ছবি ধরা পড়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।






