হাইকোর্টের নির্দেশেই সিলমোহর দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশের পর থেকেই বেশ ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে। জেলায় জেলায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করা হবে, তা নিয়ে চলে আলোচনা। অবশেষে তা জানা গেল। জেলা পিছু ১ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হল কমিশনের তরফে। প্রতি জেলায় থাকবে ১ কোম্পানি সিএপিএফ।
এক কোম্পানি সিএপিএফ-এর অর্থ ৯০ জন জওয়ান। সেক্ষেত্রে ৭৫ জন গ্রাউন্ড ডিউটি করতে যাবেন। এই সংখ্যক জওয়ান দিয়ে রাজ্যের প্রত্যেক জেলায় প্রতিটি বুথে কেন্দ্রের আধা সামরিক বাহিনী কীভাবে মোতায়েন করা যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্যের নিজস্ব বাহিনী অর্থাৎ রাজ্য পুলিশও থাকবে ভোটে।
গত ১৫ই জুন কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে রাজ্যের স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে মোতায়েন করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করে দেখার আবেদন জানানো হয় কমিশনের তরফে। হাইকোর্ট এরপর নির্দেশ দেয় যে রাজ্যের সব জেলাতেই আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গেলে হাইকোর্টের ওই রায়কেই বহাল রাখে শীর্ষ আদালত। এরপর কমিশন জানায়, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হিসাবে বাংলায় মোট ১৮৯টি অতি স্পর্শকাতর এবং স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। রাজ্যের ৬২ হাজার বুথের মধ্যে যা খুবই নগণ্য। সেই কারণে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই।
কমিশনের তরফে জানানো হচ্ছে, সব জেলার জেলাশাসকদের বলা হয়েছিল স্পর্শকাতর বুথের ম্যাপিং করতে। তাঁরা যে হিসাব পাঠিয়েছেন, তারই সমষ্টি হল ১৮৯। তবে আদালত যেহেতু সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে, সেই কারণে সেই নির্দেশের মর্যাদা দিতে প্রতি জেলায় গড়ে ১ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে।





