নতুন এক পালক যোগ হল এবার রাজ্যের মুকুটে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সাধের প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) এবার পেল স্কচ পুরস্কার (SKOCH Award)। নারী ও শিশু কল্যাণ বিভাগে প্লাটিনাম পেল পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)।
করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের রোজগারহীন মহিলাদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়ার জন্য পুরস্কৃত হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। টুইট করে নিজেই রাজ্যবাসীকে এই সুখবর দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘‘নারী ও শিশুকল্যাণ বিভাগে স্কচ পুরস্কার পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আমি অত্যন্ত গর্বিত। নারীদের ক্ষমতায়নকে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়েছি আমরা। এই পুরস্কার শুধু সরকারের স্বীকৃতি নয়, বাংলার ১ কোটি ৮০ লক্ষ মহিলারও স্বীকৃতি”।
https://twitter.com/MamataOfficial/status/1586060693308334080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1586060693308334080%7Ctwgr%5Ea71e193715e977727977457b1c365ae191f403d6%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Fbengal%2Fwest-bengal-bags-another-skoch-award-for-lakshmir-bhandar-scheme%2F
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এই নির্বাচনের ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। রোজগারহীন বা স্বল্প রোজগার করেন যে সমস্ত মহিলারা, তাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হয় প্রতি মাসে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শহর থেকে গ্রাম, অনেক মানুষই উপকৃত হয়েছেন।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাজ্যের নানান প্রকল্প এই স্কচ পুরস্কার জিতে নিয়েছে। একাধিক শিল্পবান্ধব পদক্ষেপে রাজ্যের বিনিয়োগের জন্য রাজ্যে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য ‘ইজ অফ ডুইং বিজনেস’ ক্যাটেগরিতে স্কচ পুরস্কার এসেছিল রাজ্যের ঝুলিতে।
আবার পরিবহণ বিভাগে দক্ষিণবঙ্গ পরিবহণ নিগমের ঝুলিতে স্কচ পুরস্কার এসেছে। গত বছর করোনা মোকাবিলায় অভূতপূর্ব ভূমিকা পালন করেছিল বিধাননগর পুরনিগম। সেই ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছিল স্কচ সংগঠনের তরফে। আর এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য এল পুরস্কার।






