নবান্ন এখনই কাউকে সাসপেন্ড করছে না, কিন্তু নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দু’জনকে সরিয়ে দিল। নির্বাচন কমিশন চেয়েছিল চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হোক। তবে রাজ্য সরকার আপাতত সেই পথে হাঁটছে না। সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, ময়নার সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (AERO) সুদীপ্ত দাস এবং বারুইপুর পূর্বের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারকে ভোট সংক্রান্ত কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই বিতর্কের সূত্রপাত ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ থেকে। কমিশন অভিযোগ তোলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার নথিভুক্তিকরণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে গলদ ধরা পড়েছে। যাঁদের নাম উঠে এসেছে তাঁদের মধ্যে আছেন দুই ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও বিপ্লব সরকার, এবং দুই সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO) তথাগত মণ্ডল ও সুদীপ্ত দাস। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের নামও অভিযোগের তালিকায় রয়েছে।
কমিশনের নির্দেশ ছিল— চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করতে হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করতে হবে এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা আগে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান করবে। সেই অনুসন্ধানের রিপোর্ট হাতে এলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ Astrology: মঙ্গলের প্রিয় এই ৩ রাশি, ভাগ্য খুলবে বজরংবলীর আশীর্বাদে
ফলে আপাতত পদক্ষেপ সীমাবদ্ধ রয়েছে দুই জনকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়াতেই। বাকি অভিযোগের নিষ্পত্তি হবে তদন্তের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!