সমকামী সম্পর্কে টানাপড়েন। এর জেরে বান্ধবীকে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে গলার নলি কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকার বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই তরুণীকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। যদিও এখনও পর্যন্ত আরেক তরুণীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি থানায়।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
এই ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ শহরের শক্তিনগর এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় এক তরুণী স্থানীয় কুমারডাঙ্গি এলাকার এক রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বছর পাঁচেক আগে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে আসেন তিনি।
জানা গিয়েছে, তিন বছর আগে রাজবিহারী মার্কেট এলাকার এক তরুণী অষ্টমী সাহার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয় তাঁর। দু’জনের মধ্যে কথা হতে হতে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের। দু’জনে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু পরিবারের লোকজন এই সম্পর্ক মেনে নিতে চান নি। তবে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার কথাও ভাবেন নি তারা কেউই।
আর এরই মধ্যে বান্ধবীর গলার নলি কেতেদেন আরেক বান্ধবী। জখম তরুণী বলছেন, “আমার বান্ধবী খুব ভালোবাসে। একে অপরকে ছাড়া আমরা থাকতে পারব না। অনলাইনে আলাপের পর থেকে অধিকাংশ দিন একসঙ্গে থাকি। কিন্তু রাতে বান্ধবীর ফোনে রাসবিহারী মার্কেটে ওর বাড়িতে যাই। গল্প করতে করতে সামনের শ্মশানে পৌঁছতেই আমার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তার পর আর কিছুই মনে নেই। জামাইবাবু শংকর মণ্ডল হাসপাতালে নিয়ে আসেন”।
বান্ধবী যে এমন কাণ্ড ঘটাতে পারেন, তা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না এই তরুণী। কেন তাঁর বান্ধবী এমন ঘটনা ঘটালেন, তার কোনও সদুত্তরও পাচ্ছেন না তিনি। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বান্ধবী অষ্টমী সাহার কোনও খোঁজ মিলছে না খবর।





