করোনার ঢেউ আছড়ে পড়েছে মারাত্মকভাবে। এবারের সংক্রমণ আরও বেশি। শ্বাসকষ্টে ভুগছেন আক্রান্ত রোগীরা। এর মধ্যে আবার মিউট্যান্ট হচ্ছে করোনাভাইরাস। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও বাইরে বেরোতে হচ্ছে বহু মানুষকে। বাসে ট্রেনে চলাফেরা করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা যায়, তাই এখন মানুষের প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র মাস্কে এখন আর ভরসা করা যাবে না। তাই বেশি ভিড়ের মধ্যে যেতে গেলে এখন জোড়া মাস্ক পরা বাঞ্ছনীয়। জোড়া মাস্ক হলে বাইরাস পার্টিকেল কিছুটা হলেও কম প্রবেশ করবে। দুটো করে মাস্ক পড়লে সংক্রমণ অনেকটাই কম হবে. ডাবল মাস্কিং-এ করোনার সংক্রমণ ৯৬.৪ শতাংশ কমে যাবে।
কী এই ডবল মাস্কিং?
আরও পড়ুন-ব্যাপক ঘাটতি অক্সিজেনের! উৎপাদন বাড়িয়ে কেন্দ্রকে সহায়তা করতে ময়দানে নামছে টাটা ও রিলায়েন্স গ্রুপ
ডবল মাস্কিং হলো দুটো করে ফেস মাস্ক পরা। একটার উপর একটা। নাক মুখ ঢেকে প্রথমে প্রথম মাস্কটা পরতে হবে। এরপর দ্বিতীয় মাস্কটা এর উপর পরতে হবে। এর ফলে ভাইরাসের কনা প্রবেশ করার নিশ্চয়তা অনেকটাই কমে আসে। এর জেরে সংক্রমণ হয় কম।
কীভাবে পরবেন দুটো মাস্ক?
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুটো মাস্ক পডরার নিয়ম রয়েছে। যেকোনো দুটো মাস্ক বেছে নিলেই হবে না। নিচের মাস্কটা হতে হবে সার্জিক্যাল মাস্ক আর তার ওপরের মাস্কটা হবে কাপড়ের। আগে সার্জিক্যাল মাস্ক পরে তার উপরে কাপড়ের মাস্ক পরতে হবে। অথবা দুটো কাপড়ের মাস্কও ব্যবহার করা যেতে পারে। তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক হলে তার উপর হালকা কাপড়ের মাস্ক পরা যেতে পারে। তবে দুটি সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা যাবে না। আর n95 মাস্ক আর কোন মাস্ক ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই ।
আরও পড়ুন-করোনা-হানায় ত্রস্ত দেশে ঘর ঠান্ডা রাখার যন্ত্রটিও হয়ে উঠছে সাক্ষাৎ ভিলেন!
ডাবল মাস্কিং-এ খেয়াল রাখতে হবে মাস্ক যাতে নাকের নিচে না ঝোলে। মাস্ক পরে দেখে নেবেন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া যাচ্ছে কিনা। খুব চেপে মাস্ক পড়ার প্রয়োজন নেই। বাসে ট্রামে বা ভিড় বাজার-দোকানে ডবল মাস্কিং করা প্রয়োজন। বাচ্চাদের মাস্ক একেবারেই চলবে না।






