দেশের চার ধামের অন্যতম পুরীর জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দিরে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে, বিজ্ঞানের কাছেও যার উত্তর নেই। পুরাণ অনুসারে, জগন্নাথকে পৃথিবীর নাথ বলা হয়। জগন্নাথ হচ্ছেন বিষ্ণুর অবতার। তিনি সবসময় ভাই বলরাম এবং বোন সুভদ্রার সাথে উপবিষ্ট থাকেন।
অনেকেই মনে করেন, পুরীর জগন্নাথ দর্শন করলে সমস্ত মনস্কামনা পূরণ হয়ে যায়। ধুয়ে যায় সমস্ত পাপ। জগন্নাথ দর্শনের সময় অনেকে এই তৃতীয় সিঁড়ি স্পর্শ করে না। কারণ এই মন্দিরের তৃতীয় সিঁড়ি নিয়ে একটি মিথ প্রচলিত রয়েছে। জগন্নাথ দর্শনের পর মানুষ পাপমুক্ত হয় বলে মনে করা হয়। কথিত রয়েছে, তা দেখে যমরাজ জগন্নাথের কাছে এসে বলেছিলেন, আপনাকে দেখে মানুষ সহজে পাপমুক্ত হয়ে যায়। কেউ আর যমলোকে আসে না।
সেই সময় নাকি জগন্নাথ যমরাজকে বলেছিলেন, মন্দিরের প্রবেশদ্বারের তৃতীয় ধাপের স্থানটি ‘যম শিলা’ নামে পরিচিত হবে। যে জগন্নাথ দর্শনের সময় তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখবেন, তার সমস্ত পুণ্য হ্রাস পাবে। আর তাকে যেতে হবে যমলোকে।
জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান ফটক থেকে প্রবেশের সময় নীচ থেকে তৃতীয় ধাপে যম শিলা নামে পরিচিত। দর্শনের জন্য মন্দিরে প্রবেশের সময় আপনাকে ওই সিঁড়িতে পা রাখতে হবে। বলা হয়, জগন্নাথ দর্শন করে ফেরার সময় আর সেই পাথরে পা রাখা উচিত নয়। যমশিলার এই পাথরটি কালো রঙের। এই সিঁড়ির রং অন্যান্য সিঁড়ির থেকে আলাদা।
পুরী মন্দিরের পান্ডারা এই তৃতীয় সিঁড়ি নিয়ে অনেক সাবধান বানী শুনিয়েছেন। ভুল করে তৃতীয় শুরুতে পা না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
যদি আপনি আগেই পুরীর মন্দির ঘুরে আসেন, তবে মনে করুন এই ভুলটা আপনি করেননি তো। আর যাদের এখনও যাওয়া হয়নি, তারা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন মন্দিরে প্রবেশের সময়।





