এলাকায় একটি ছোটো লটারির দোকান রয়েছে তাঁর। তাঁর দোকান থেকেই প্রতিদিন লটারির টিকিট কিনে নিয়ে ভাগ্য যাচাই করেন অনেকেই। কারোর কারোর ভাগ্য বদলেছেও লটারিতে পুরস্কার জিতে। তবে নিজের দোকানের টিকিটে যে তাঁর নিজেরই ভাগ্য বদলে যাবে, তা কী আর ভেবেছিলেন ওই লটারি বিক্রেতা।
এন কে গঙ্গাধরণ নামের ওই লটারি বিক্রেতার ভাগ্য বদলে গেল রাতারাতি। কেরলের ওই লটারি বিক্রেতার একটি ছোট্ট দোকান ছিল এলাকায়। সেদিন বেশ মন খারাপই ছিল তারা। বেশি সংখ্যক লটারির টিকিট বিক্রি হয়নি। কিন্তু সেই বিক্রি না হওয়া টিকিটই তাঁর ভাগ্য ফেরাল। রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন তিনি।
লটারির পুরস্কার ঘোষণা হতেই বেশ চমকে যান ওই লটারি বিক্রেতা। টিকিট মিলিয়ে জানতে পারে ১ কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। যদিও প্রথমে এই বিষয়ে কাউকে কিছু জানান নি ওই লটারি বিক্রেতা। ব্যাঙ্কে টিকিট জমা দেওয়ার পরই এই বিষয়ে জানান তিনি।
কিন্তু কেন কিছু জানালেন না তিনি?
গঙ্গাধরণের কথায়, তিনি টিকিট চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছিলেন। সেই কারণেই জেতার কথা কাউকে জানান নি তিনি। তাঁর দোকান থেকে টিকিট কেনা আরও ছ’জন ৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা অরুণ কুমার ভাটাক্কা কারোথের সঙ্গেও খানিকটা এমনই ঘটনা ঘটেছে। ‘আবু ধাবি বিগ টিকিট ড্রয়ে’র ৪৪ কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছেন অরুণ। সংস্থার ফোন পাওয়ার পর তিনি ভেবেছিলেন কেউ হয়ত তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। ভয় পেয়ে ওই ফোন নম্বর ব্লক করে দেন তিনি।
তবে পরে গোটা বিষয়টি জানার পর তাঁর খুশি যেন বাঁধ মানছিল না। অরুণ দুটো টিকিট কিনেছিলেন। আর তৃতীয়টি বিনামূল্যে দিয়েছিল সংস্থা। সেই অফারের টিকিটেই ভাগ্য একেবারে বদলে গেল ওই ব্যক্তির।





