জন্ম নিল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট্ট শিশু। পৃথিবীতে আসার পরই সংবাদের শিরোনামে ফেঁসে গিয়েছেন এই ছোট্ট ব্যক্তিত্ব। তার নাম কেউইক ইউ জুয়ান। জন্ম নিয়েছে সিঙ্গাপুরে। টানা ১৩ মাস ধরে চলেছে তার চিকিৎসা। এত মাস পর অবশেষে বাড়ি ফিরল সে।
জন্মের সময় ওজন ছিল একটা আপেলের সমান। মাত্র ২১২ গ্রাম। এই ১৩ মাস চিকিৎসার পর তার ওজন এখন ছয়ের কেজির একটু বেশি। জন্মের পরেই অনেক বড় ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে গেছে এই ছোট্ট শিশুটি।
জন্মাবার নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্মায় জুয়ান। ১৫ সপ্তাহ আগে জন্মায় সে। তার ওজন দেখে অবাক ডাক্তাররা। লম্বাতে সে ছিল মাত্র ২৪ সেন্টিমিটার এবং ওজনে ২১২ গ্রাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কম ওজনের রেকর্ড ছিল তাঁর। এর আগে একটি মেয়ের ওজন ছিল ২৪৫ গ্রাম। সেই রেকর্ডকেও ভেঙ্গে ফেলেছিলো জুয়ান। চিন্তায় ছিল ডাক্তারসহ বাবা-মা। কিন্তু এখন সুস্থ জুয়ান। বাবা-মার সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটছে জুয়ানের।
মূলত প্রি-একলাম্পসিয়া রোগে আক্রান্ত ছিলেন জুয়ানের মা। যার কারণে রক্তচাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, ক্ষতি হয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গে। গর্ভবতী হওয়ায় দুজনের জন্যই তা প্রাণঘাতী হতে পারত। তাই জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে, নির্ধারিত সময়ের ১৫ সপ্তাহ আগেই জন্ম নিয়েছে ছোট্ট জুয়ান।
জন্মের পর হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, তার বেঁচে থাকার সুযোগ নেই বললেই চলে। এরপর টানা ১৩ মাস তাকে রাখা হয় ইনটেনসিভ কেয়ারে। সেখানে ডাক্তারদের অদম্য প্রচেষ্টার ফল, আজ জুয়ানের ওজন ৬ কেজির একটু বেশি। হাসতে-হাসতে আজ বাড়ি ফিরেছে জুয়ান। এখন সুস্থ জীবনযাপন করতে প্রস্তুত বিশ্বের এই ছোট্ট শিশু।





