জেতা হল না ডার্বি। তবু কলকাতা লীগ (Calcutta football league) জয়ের দোরগোড়ায় ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কলকাতা লিগের সুপার সিক্সের ম্যাচে মহামেডানের (Mohamedden) সাথে ড্র করেও খেতাব জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। দু’বার পিছিয়ে পড়ার পরেও কাম ব্যাক করল লাল হলুদের ছেলেরা। শেষ মুহূর্তে হীরা মন্ডলের শট যদি মহামেডানের গোলকিপারকে পরাস্ত করতে পারত তাহলে হয়তো ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়ত ইস্টবেঙ্গল।
এখন ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট ১৫ ম্যাচ খেলে ৪১। মহামেডানের সাথে খেলতে নামার আগে ইস্টবেঙ্গলের দরকার ছিল ৩ ম্যাচের ৪ পয়েন্ট। এখন সহজ হিসেবে গিয়ে দাঁড়াল ইস্টবেঙ্গল এর লিগ জিততে চাই ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট। অর্থাৎ দুই ম্যাচে একটি জয় নিশ্চিত করতে পারলেই কলকাতা লীগ জিতে যাবে ইস্টবেঙ্গল।
এই ম্যাত জিতে গেলে খেতাব একপ্রকার প্রায় নিশ্চিতই হয়ে যেত ইস্টবেঙ্গলের। যদিও আজকের ম্যাচ থেকে জয় ছিনিয়ে নিতে পারল না বিনো জর্জের ছেলেরা। ১ পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হল তাদের। মহামেডানের দুই গোলদাতা বামিয়া সামাদ ও সোরাইসাম। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জোড়া গোল করেন জেসিন টিকে।
গোটা কলকাতা লিগ জুড়েই দুরন্ত পারফরম্যান্স করে দেখিয়েছে বিনো জর্জের অধীনে থাকা লাল হলুদের ছেলেরা। আগের বছরের কলকাতা লীগ চ্যাম্পিয়ন মহামেডান আগেরবারের মতো ফর্মে নেই। তবে ডার্বি মানেই আলাদা ম্যাচ। এদিন ইস্টবেঙ্গলের ছেলেদের সমানে সমানে লড়াই করল সাদাকালো ব্রিগেড। আজকের ম্যাচে ড্র করে কলকাতা লীগ জেতার জন্য ইস্টবেঙ্গলের অপেক্ষা বাড়লেও, ইস্টবেঙ্গলের জন্য কলকাতা লীগ জেতা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
ওদিকে নৈহাটি স্টেডিয়ামে মহামেডান গ্যালারিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। মাঠে জাতীয় সংগীত বাজার সময় উঠে দাঁড়াননি অধিকাংশ মহামেডান সমর্থকরা। তাদের দাবী, তারা নাকি জাতীয় সংগীত শুনতে পাননি সেই জন্যই উঠে দাঁড়ান নি। সত্যিই কি শুনতে পাননি নাকি শুধু অবমাননা করার জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে তারা এটা ঘটিয়েছেন সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
খেলা চলাকালীনই মহামেডান গ্যালারিতে ধরা পড়ল এক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। একজন মহামেডান সমর্থক হাতে রয়েছে বন্দুক। বড় মেশিনগান উঁচিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন নিজের দলকে। তবে সেই বন্দুকের ছিল প্লাস্টিকের। প্লাস্টিকের হলেও ওত বড় বন্দুক নিয়ে মাঠে কী করে ঢুকল ওই সমর্থক, এই নিয়ে নিরাপত্তার ব্যাপারে উঠছে প্রশ্ন।





