করোনা মানুষের জীবনে সংকটের আরেকনাম হলেও ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের জন্য যেন শাপে বর হয়েছে। চলতি মরশুমে খেলা বন্ধ থাকলেও নতুন খেলোয়াড়দের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো বিরতি নেই তাদের। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে তারা এখন ভবিষ্যৎ-এর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে নিচ্ছেন। এই করোনার সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করে তারা রোজই নতুন নতুন তুখোড় ফুটবলারদের নিজেদের দলে সামিল করছেন। কিছুদিন আগেই লাল-হলুদ দলে সামিল হয়েছিলেন বলবন্ত সিং, ওমিড সিং, গুরতেজ সিং, লালরামচুল্লভা, নবীন গুরুং, আঙ্গুসানা লুয়াং, রফিক আলি সর্দার , লোকেন মিটেই-এর মতো ফুটবলাররা। এবার এই তালিকায় সামিল হতে চলেছেন কিগান পেরিরা, গিরিক খোসলা এবং মোহাম্মদ ইরশাদ এর মতো ফুটবলাররা।

৩২ বছর বয়সী মহারাষ্ট্র নিবাসী কিগান পেরিরা এবার যোগ দিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। এই মধ্যবয়স্ক ডিফেন্ডার লেফট ব্যাক পজিশনে খেলেন। তিনি এর আগে আই-লিগ এবং আইএসএলে বেশ অনেকবারই নিজের প্রতিভার প্রদর্শন করেছেন। ৫ফুট ১১ইঞ্চির এই ফুটবলার এর আগে ব্যাঙ্গালোর এফসি, এটিকে এর জন্য খেলেছেন। ২০১৯-২০ তে তিনি জামসেদপুর এফসির জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন।

এই তালিকার দ্বিতীয় খেলোয়াড় হলেন মহারাষ্ট্রের ছেলে গিরিক খোসলা। কিছুদিন আগেই তাঁর আগমন নিয়ে জল্পনা শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল দলে, এবার সরকারিভাবে সিলমোহর লাগলো। এই অ্যাটাকিং মিডিও ফুটবল জগতে তার গতি এবং আক্রমণাত্মক নীতিতে খেলার জন্য প্রসিদ্ধ। তিনি ফরওয়ার্ড-এও ফেলতেও পছন্দ করেন। এই মধ্যবয়সী ফুটবলার পাঞ্জাব এফসি-র হয়ে খেলেছিলেন এবং তাদের হয়ে ২০১৭-১৮-এর মরশুমে আই-লিগও জিতেছিলেন এবং একটি গোলও নিজের পকেটস্থ করেছিলেন। খোসলা ২০১৮-১৯ মরশুমে আইএসএলের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে মাত্র একটি ম্যাচ-এ খেলেছিলেন। ২০১৯-২০ মরশুমে আই-লিগে পাঞ্জাব এফসির হয়ে ৭ ম্যাচে ২ গোল করেছিলেন। এবার তিনি লাল হলুদের হয়ে মাঠে নামতে চলেছেন।

এই তালিকার শেষ নাম কেরালা নিবাসী মহম্মদ ইরশাদ। ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার প্রধানত রাইট ব্যাক পজিশনে খেলে থাকেন। তিনি এর আগে গোকুলাম কেরালা এবং মিনার্ভা পাঞ্জাবের হয়ে আই-লিগে খেলেছেন। এছাড়াও তিনি ২০১৬-১৭ তে সন্তোষ ট্রফি এবং ২০১৯ এ বিজেতা টিমের হয়ে ডুরান্ড কাপে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এবার তিনি তার ফুটবল শৈলীর প্রদর্শন দেখাতে চলেছেন লাল-হলুদ দলের হয়ে।





