‘সুযোগ পেলেই বিজেপিতে যোগ দেব’, বললেন দিব্যেন্দু অধিকারী, দাদা শুভেন্দুর পথেই হাঁটছেন তৃণমূল সাংসদ?

তিনি এখন শুধুই খাতায়-কলমেই তৃণমূল সাংসদ। দলের সঙ্গে দূরত্ব যে অনেকদিন আগেই বেড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এখন থেকেই শুরু হয়েছে দলবদলের হিড়িক। গতকাল, বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। এবার মনে হচ্ছে তৃণমূলের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে।

অধিকারী পরিবার নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চার অন্ত নেই। একুশের নির্বাচনের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির হাত ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই যেন অধিকারী পরিবার গেরুয়া ঘেঁষাই হয়ে গিয়েছে। খাতায়-কলমে শিশির অধিকারী বা দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হলেও বিজেপির নানান কর্মকাণ্ডে তাদের দেখা যায়। এবার যা পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে দিব্যেন্দু অধিকারী বিজেপির হাতই ধরবেন লোকসভা ভোটের আগে।

কী বললেন এই বিষয়ে দিব্যেন্দু অধিকারী?

সূত্রের খবর, আগামী ৭ মার্চ বিজেপির একটি বিরাট যোগদান সভার কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে কী দেখা যাবে দিব্যেন্দু অধিকারী? এক সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে এই প্রশ্ন করা হলে সরাসরি কোনও জবাব দেন না দিব্যেন্দু। কিছুটা জল্পনা জিইয়ে রেখেই তিনি বলেন, “আর তো ক’টা দিন। কারা যোগ দিচ্ছে, কারা দিচ্ছে না, সেটা সাত তারিখেই বোঝা যাবে”।

এদিন নিজের কথার মাধ্যমে তিনি ঠারে ঠারে বেশ বুঝিয়ে দিলেন যে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠতেই তাঁর জবাব, “আমি দলে নেই-ই ধরে নিতে পারেন। সাংসদ আছি। যতটুকু আমার মেয়াদ আছে, ততদিন সাংসদ থাকব”।

তাঁর সংযোজন, “আমি আমার দাদাকে নিয়ে গর্বিত। দাদা আমার কাছে গর্বের দাদা। যাঁর জন্য আমার বুকটা সবসময় চওড়া হয়ে থাকে”। তিনি এও মেনেই নিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কের আর কিছু বাকি নেই তাঁর।

বিজেপিতে কবে যোগ দিচ্ছেন দিব্যেন্দু?

দিব্যেন্দুর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “সুযোগ পেলে নিশ্চয়ই দেব”। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সুযোগের কথা বললেও তিনি আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়বেন কী না, সে নিয়ে কোনও মন্তব্য করেন নি তৃণমূল সাংসদ। তবে তিনি এও জানান, আগামীকাল হলদিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন।  

আরও অন্যান্য খবর