রক্ষকই যখন ভক্ষক কথাটার সাথে সবাই প্রায় পরিচিত। এমন ঘটনা যদি ঘটে বাস্তবে। যার দায়িত্ব রক্ষা করা সেই যদি অত্যাচার করে। তদন্তের নামে বাড়িতে গিয়ে গৃহবধূকে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ। অভিযোগ উঠল এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে।
গৃহবধূকে ধ’র্ষ’ণ এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ি পুলিশের এএসআই রাজ নারায়ণ রায়ের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতকে রবিবার আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে। সাথে ১৪ দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি থানায় কর্তব্যরত ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাঁচ বছর আগের। তিনি যখন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় কর্তব্যরত ছিলেন সেই সময় চুরির ঘটনার তদন্তে গিয়ে জলপাইগুড়ির বাসিন্দা এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
এই ঘটনায় গৃহবধূ লিখিত অভিযোগ করে জানিয়েছেন, “গত পাঁচ বছর আগে একটি চুরির তদন্ত করতে গিয়ে আমার সঙ্গে জোর করে সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই পুলিশ অফিসার। এরপর থেকে তদন্তের নামে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে আমার উপর নির্যাতন শুরু করেন। আমাকে জোর করে ধর্ষণ করেছেন ওই পুলিশ অফিসার। আমি একাধিকবার পুলিশকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু লাভ হয়নি। আমি এবার লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁকে গত কাল রবিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমি ওর কঠিন শাস্তি চাই।”
বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে। একাধিকবার পুলিশ আধিকারিকদের জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। এবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার অভিযুক্ত এএসআই রাজ নারায়ণ রায়কে গ্রেফতার করেছে। ধৃতকে এ দিন জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হলে জামিনের আবেদন নাকচ করে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





