২১ মার্চ ছিল রানি মুখোপাধ্যায়ের (Rani Mukherjee) জন্মদিন। ৪৫ বছরে পা দিলেন এই বছর। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে গোপন রাখতেই ভালোবাসেন অভিনেত্রী। বর্তমানে আদিত্য চোপড়া এবং তাঁদের মেয়েকে নিয়ে সুখে সংসার করছেন। ২০১৪ সালে আদিত্য চোপড়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৫ সালে তাঁদের মেয়ে আদিরা হয়। বর্তমানে তাকে(Rani Mukherjee) পর্দায় সেরম ভাবে দেখা যায় না।
এই সময়ে খুবই কম ছবিতে কাজ করছেন তিনি। তাঁকে শেষবার পর্দায় দেখা গেছিল মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে ছবিতে। দর্শকদের মন কেড়েছিল এই ছবি। অনেকদিন পর তাকে পর্দায় ফিরতে দেখে উৎসাহিত হয়েছিল তার অনুরাগীরা। এখন তিনি আর নতুন কোনো কাজ করছেন বলে জানা যায়নি। তবে এই অভিনেত্রীর জীবনে লুকিয়ে রয়েছে বিরাট একটি রহস্য। জন্মের সময় বদল হয়ে গেছিলেন তিনি। বেশ কিছু সাক্ষাৎকারে এই তথ্য ফাঁস করতে শোনা যায় খোদ অভিনেত্রীর মুখেই। জন্মের সময় নাকি হাসপাতালে পাল্টাপাল্টি হয়ে যান রানি মুখোপাধ্যায়। নিজের মায়ের কাছে আসার বদলে অন্য এক পাঞ্জাবী পরিবারের পৌঁছান তিনি। তার মা প্রথম এই ঘটনাটি বুঝতে পারেন।
রানি মুখোপাধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “তাঁর জন্মের ঠিক পরেই তিনি একটি পাঞ্জাবি পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ তাঁর পরিবারের কাছে সেই পাঞ্জাবি পরিবারের সদ্যজাত সন্তান চলে এসেছিল, আর সেই পাঞ্জাবি পরিবারের কাছে তিনি চলে গিয়েছিলেন।”
এই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন তার মা প্রথম বদলের ব্যাপাটি বুঝতে পারেন। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, “এই বদলাবদলি হওয়ার ব্যাপারটা টের পান অভিনেত্রীর মা কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়। তিনি বোঝেন তাঁর কোলে যে সন্তান রয়েছে সে তাঁর নয়।”
সাক্ষাৎকারে রানি জানিয়েছেন, “এই অদল বদল এর ঘটনা যখন ঘটেছিল তখন তিনি সদ্য জন্মেছেন। সে সময় জন্মের পর শিশুদের গায়ে ট্যাগ লাগানো হতো। নার্স ছোট্ট শিশুকে পরিষ্কার করে এনে দেওয়ার পর অভিনেত্রীর মায়ের কোলে দিতেই কৃষ্ণ দেবী অর্থাৎ অভিনেত্রীর মা চেঁচিয়ে ওঠেন নার্সদের উপর। কারণ অভিনেত্রীর মা খেয়াল করেছিলেন যে তার মেয়ের মনি বাদামি বর্ণের। তার কোলে যে শিশুটি আছে তার সেই বৈশিষ্ট্যটি ছিল না। স্বভাবতই বুঝতে অসুবিধা হয়নি বদল হয়ে গিয়েছে তার সন্তান”।
সেই মুহূর্তে কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায় চেঁচিয়ে বলে ওঠেন, “হে ইশ্বর এটা আমার সন্তান নয়। আমার মেয়ের খয়েরি মণি। দেখো আমার সন্তান কোথায়”।এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় হাসপাতালে। চিন্তার ভাঁজ পড়ে অভিনেত্রীর পরিবারেও। তারপর হাসপাতাল খুঁজে দেখা যায় রানী মুখোপাধ্যায় চলে গিয়েছেন এক পাঞ্জাবী পরিবারের কাছে। চোখের রং দেখে মেয়েকে চিনতে পারেন কৃষ্ণা দেবী।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার