Mamata Banerjee requested for vote: লোকসভা নির্বাচনে যে উত্তরবঙ্গকে পাখির চোখ করেছে ঘাসফুল শিবির, তা বলাই বাহুল্য। উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলা যায়। ফলে পাহাড়ে আপাতত মাটি কামড়ে পড়ে তৃণমূল। আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। আর প্রথম দফাতেই ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন আসন অর্থাৎ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে। ফলে এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গে জোর প্রচার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এবার ভোটের জন্য কাতর আর্জি জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো (Mamata Banerjee requested for vote)।
আজ, শনিবার ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে নির্বাচনী সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের সমর্থনে এই সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই সভা থেকেই নিজের দুঃখের কথা শোনান তিনি। এরই সঙ্গে আর্জিও জানান যাতে তৃণমূলকেই ভোটটা দেন আমজনতা (Mamata Banerjee requested for vote)।
কী বলেছেন এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee requested for vote)?
এদিন সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল কী দোষ করেছিল যে পাহাড়, জঙ্গলমহল কোথাও আসন পেল না? পেঁয়াজ, আলুর দাম কত? লাফিয়ে লাফিয়ে দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে। এটাই মোদীর গ্য়ারান্টি। কাজ করব আমরা আর ওরা ধর্মের নামে স্লোগান দেবে, তাতে পেট ভরবে তো আপনাদের”?
এরপরই মমতার কাতর আর্জি (Mamata Banerjee requested for vote), “ভোটটা দয়া করে আর বিজেপিকে দেবেন না। কাজটা করে তৃণমূলই”।
প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। কিন্তু একদা তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য, দলবদলকারী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি। গোড়া থেকে তৃণমূলেরই সদস্য ছিলেন এই শিখা চট্টোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত সদস্যও ছিলেন। তবে একুশের বিধানসভা ভোটের টিকিট না পেয়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। আর প্রার্থী হয়ে জিতেও যান ওই কেন্দ্র থেকে।
এদিন এই ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে মমতা বলেন, “সেবার দেখেছিলাম, এই মাঠ ভর্তি লোক। কিন্তু পরে দেখলাম, গৌতমদা হেরে গেলেন। এটা আমার কাছে দুঃখের। যাঁকে আপনারা জিতিয়ে বিধায়ক করলেন, তাঁকেও কিন্তু আমি রাস্তা থেকে তুলে এনে আমার দলে ঠাঁই দিয়েছিলাম। পরে সে দল ছেড়ে বেরিয়ে যায়। কী লাভ হল তাঁকে জিতিয়ে? কোনও কাজ করেছে? কাজ করলে জেতাবেন, আমার আপত্তি নেই। কিন্তু কাজ তো তৃণমূল করে” (Mamata Banerjee requested for vote)।
মমতার কথায়, “যত বেশি আসনে জিতব বাংলার জন্য ততই বেশি কাজ করতে পারব। আরও বেশি বাংলার দাবি দিল্লি থেকে আদায় করে আনতে পারব”।





