‘মন্ত্রী নন, তাও এমন প্রভাব যে এজলাসে বসেও টের পাচ্ছি’, জেলবন্দি হয়েও পার্থর এত ক্ষমতা কীভাবে, বিস্ময় প্রকাশ বিচারপতির

Power of Partha Chatterjee: গত প্রায় দু’বছর ধরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বারবার তাঁর জামিনের আবেদন করা হলেও প্রভাবশালী তত্ত্বে সেই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে (Power of Partha Chatterjee)। এবার পার্থর সেই প্রভাবশালী তত্ত্বের প্রমাণ পেয়ে বিস্মিত খোদ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি।

গতকাল, বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মামলার শুনানি ছিল। এদিন আবার এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য ও অশোক কুমার সাহারও জামিনের মামলার শুনানি ছিল। এদিন আদালতে সওয়াল-জবাব চলাকালীন সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, মুখ্যসচিবের অনুমোদন মেলেনি (Power of Partha Chatterjee)। সেই কারণে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

সিবিআইয়ের এমন কথায় বেশ বিরক্ত হন বিচারপতি। বেশ বিস্ময়ের সুরেই তিনি বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন আর মন্ত্রী নেই। অথচ তাঁর ক্ষমতা আমরা এজলাসে বসে টের পাচ্ছি। এতটাই প্রভাবশালী তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন দিতে মুখ্যসচিবের কলম উঠছে না” (Power of Partha Chatterjee)

বিচারপতির কথায়, “মুখ্যসচিবকে তাঁর দায়িত্ব পালন করাতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে আদালত (Power of Partha Chatterjee)। তিন বার তাঁকে আদালত নিজের মতামত জানানোর সুযোগ দিয়েছে। চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে। তার পরেও তিনি আদালতের নির্দেশ মানেননি”। এরপরই অ্যাডভোকেট জেনারেলের উদ্দেশে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “এটা নেহাতই আমলাতন্ত্রের আলস্য? নাকি নেপথ্যে অন্য অঙ্ক কাজ করছে”?

বিচারপতির কথায়, এভাবে কী আদৌ নিরপেক্ষ বিচার হওয়া সম্ভব (Power of Partha Chatterjee)। এই বিষয় নিয়ে বেশ সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। আজ, শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

আরও অন্যান্য খবর