লোকসভা নির্বাচনের রিপাবলিক ম্যাট্রিক্সের এক্সিট পোল প্রকাশ্যে, কত আসনে এগিয়ে কে, বাংলায় কে এগিয়ে দিদি না মোদী?

১৯ শে এপ্রিল থেকে ১লা‌ জুন ২০২৪ পর্যন্ত এই সমীক্ষা করা হয়েছে। ম্যাট্রিক্স সংস্থা এই সমীক্ষা করেছে। বিধানসভা ভিত্তিক বিভিন্ন স্তরে মানুষের সমীক্ষা করে তার পদ্ধতিগতভাবে একটা আসন সংখ্যা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। দুটি ভাগে সমীক্ষা করা হয়েছে। প্রথমটি এলাকাভিত্তিক দ্বিতীয়টি প্রযুক্তি নির্ভর সমীক্ষা। সেখানে আনুমানিক শতাংশের উপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য আসন সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজ্য জেলার জনসংখ্যা হিসেবে বয়স, ধর্ম, লিঙ্গ জাতভিত্তিক সমীক্ষা করা হয়েছে। যার প্রতিফলন এই সমীক্ষায়। ১ লক্ষ ৭৭ হাজার মানুষের সমীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯২৪৭৮.৩৬ ও মহিলা ভোটার ৫৬৯০৯.৭৬। প্রথমবারের ভোটার রয়েছে সাড়ে ২৮ হাজারের কাছাকাছি। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও নির্বাচন ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি মাথায় রেখে এই সমীক্ষা করা হয়েছে। এই সমীক্ষায় ত্রুটির সম্ভাবনা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ৪২ টি আসন এক্সিট পোল অনুসারে বিজেপি পাচ্ছে ২২টি আসন এবং তৃণমূল ২০টি আসন। প্রি মার্কের সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে বামফ্রন্ট,‌ কংগ্রেস ও অন্যান্যদের কোন আসন দেওয়া হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে‌ প্রিমার্কের ভোটের হার শতকরার দিক থেকে ৪২ শতাংশ বিজেপি, ৪৪ শতাংশ তৃণমূল ও‌ বামফ্রন্টের ৪ শতাংশ, কংগ্রেসের ৬ শতাংশ ও অন্যান্যদের ৪ শতাংশ আসন। ভোট শতাংশের দিক থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে। ২০১৯ সালে বিজেপির ভোট ছিল ৪০.৬ শতাংশ। বামফ্রন্টের ভোটের শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে আগের থেকে। অন্যান্যদের মধ্যে যদি আইএসএফকে ধরা যায় আইএসএফ ও বাম কংগ্রেসকে মিলিয়ে তৃণমূল বিরোধী ভোট পেল তৃণমূলকে সাহায্য করে দিয়ে।

লোকসভা নির্বাচনের রিপাবলিক ম্যাট্রিক্সের এক্সিট পোল প্রকাশ্যে, কত আসনে এগিয়ে কে, বাংলায় কে এগিয়ে দিদি না মোদী?

এক্সিট পোলের মাধ্যমে আমরা জেনে নিচ্ছি “আপকিবার ৩০০ পার না ৪০০ পার” কি হতে পারে। গোটা দেশ জুড়ে স্লোগান তুলেছিল বিজেপি। দেশের মানুষদের প্রশ্ন রয়েছে বিজেপি ৪০০ পার‌ করছে কি করছে না। কি বলছে প্রি মার্কের সমীক্ষা দেখে নেওয়া যাক। গোটা দেশের সমীক্ষা অনুযায়ী মোট আসন ৫৪৩। এখানে দেখা যাচ্ছে বিজেপি একা নয় গোটা এনডিএ জোট মিশিয়ে হচ্ছে ৩৫৯ টি আসন। অর্থাৎ এক্সিট পোলের ধারণা অনুযায়ী ৪০০ পার হচ্ছে না বিজেপি। কংগ্রেস সহ বৃহত্তর যে ইন্ডিজোট তৈরি হয়েছিল, তারা একসাথে পাচ্ছে ১৫৪ টি আসন। যারা জোটের বাইরে যারা এনডিএ জোটের সাথেও নেই অর্থাৎ অন্যান্যরা পাচ্ছেন ৩০ টি আসন। শতাংশের হিসেবে এগিয়ে গিয়েছে এনডিএ জোট। গোটা দেশের নিরিখে এনডিএ জোট পাচ্ছে ৪৮ শতাংশ। ইন্ডি জোট ৩৯ শতাংশ। যদিও ইন্ডি জোটের মুখ কে হবে এই নিয়ে সংশয় রয়ে গিয়েছে। শতকরা নিরিখে অন্যান্যরা পাচ্ছেন ১৩ শতাংশ আসন।

রিপাবলিক ম্যাট্রিক্সের সমীক্ষা যদি মিলে যায় তবে সারা ভারতে আসনের সংখ্যাটা দাঁড়াবে, এনডিএ জেট ৩৬৮ টি আসন, ইন্ডি জোট‌১২৫টি আসন ও অন্যান্যরা ৪৮ টি আসন। পশ্চিমবঙ্গে ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েও কিভাবে আসন বেশি পাচ্ছে বিজেপি। শতাংশের সঙ্গে আসন সংখ্যা আর একটা ফারাক আছে। বামফ্রন্টের ৩৪ বছর শাসনকালে মাত্র একটি বিধানসভাতে তারা ১৯৮৭ সালে তারা পঞ্চাশের সীমারেখা অতিক্রম করেছিল।

আরও অন্যান্য খবর