চাকরির নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ, তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে পোস্টার দলের কর্মীদেরই, তুমুল হইচই এলাকায়

Posters against TMC Leader: লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল ভালো হয়েছে। তবে মালদহ জেলার দুই আসনেই জামানত হার হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। মালদহ দক্ষিণে কংগ্রেস প্রার্থী ও উত্তরে বিজেপি প্রার্থীর কাছে হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। আর এরপরই মালদহ জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন দলের কর্মীরা (Posters against TMC Leader)। চাকরির নামে টাকা তোলার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের মালতিপুর এলাকায়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের বেশ কিছু আসন তৃণমূল উদ্ধার করতে পারলেও মালদহের দুই আসনেই হেরেছে ঘাসফুল শিবির। আর এই হারের জন্য দলের নিচুস্তরের কর্মীরা দায়ী করছেন মালদহের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সিকে। তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে দেখা যায় অনেককেই (Posters against TMC Leader)

এবার শুধু সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত আটকে থাকল না বিষয়টি। তাঁরই বিধানসভা এলাকায় মালতিপুরের তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে রবিবার বেশ কিছু পোস্টার দেখা গেল (Posters against TMC Leader)। আব্দুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে পড়েছে এই পোস্টার। অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে তাঁকে। সেই পোস্টারে লেখা, “চাকরির নাম করে টাকা তোলা মালদহ তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে হঠাও। মালদহ জেলা তৃণমূলকে বাঁচাও”।

এই ঘটনার পরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা সামনে এনেছে বিরোধীরা (Posters against TMC Leader)। বিজেপির এক স্থানীয় নেতার কথায়, “মালদহ জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা সবারই জানা। জেলা সভাপতি রহিম বক্সির বিরুদ্ধে অশ্লীল পোস্টারও পড়েছে। সেই পোস্টার ফেলেছে তৃণমূলের একাংশই। এখানে তৃণমূলের এক অংশ, অন্য অংশকে মানতেই চাইছে না। মালদহ জেলায় গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বও তৈরি হচ্ছে না। আর তৃণমূলের তো এটাই সংস্কৃতি। যাকে পছন্দ হবে না, তাঁর নামে অশ্লীল কথা বলবে”।

আবার সিপিএমের এক নেতা জমিল ফিরদৌস বলেন, “নবান্নের ১৪ তলা থেকে নিচুতলা পর্যন্ত তৃণমূল দুর্নীতিতে ভরা। চাকরি থেকে ১০০ দিনের কাজ, সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি হয়েছে”।

এক তৃণমূল নেতাও মেনে নিয়েছেন যে দলের কর্মীরাই এই কাজ করেছেন (Posters against TMC Leader)। তাঁর কথায়, “মালদহ জেলায় আমাদের ফলাফল যে খারাপ হয়েছে তা মেনে নিতেই হবে। সেই হারের কারণ, দল নিজের মতো আলোচনা করবে। এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সেটা সবার সামনে রাখা ঠিক না। এটা যাঁরা করেছেন, আমি বলব দলবিরোধী কাজ করেছেন”।

আরও অন্যান্য খবর