‘বুলডোজার দিয়ে আগে নিজেদের অবৈধ পার্টি অফিসগুলো ভাঙুন’, দখলমুক্ত নির্দেশ নিয়ে মমতাকে কড়া বার্তা দিলীপের

Dilip Ghosh opened up about Hawker Eviction: হকার উচ্ছেদ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে নানান আলোচনা। ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকান, ঝুপড়ির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন তিনি। এবার তাঁকে সেই নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh opened up about Hawker Eviction)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই অতি সক্রিয় হয়েছে যেন পুলিশ। রাজ্যের নানান প্রান্তে শুরু করেছে হকার উচ্ছেদ অভিযান। আর সেই কারণে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে রাস্তার উপরে অবৈধভাবে তৈরি হোটেল, দোকান, ঝুপড়ি। হাতিবাগান, গড়িয়াহাট থেকে শুরু করে রাজ্যের নানান প্রান্তেই চলছে এই অভিযান। এবার এই নিয়ে সরব হলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh opened up about Hawker Eviction)।  

রাণাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা উপনির্বাচন কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাসের সমর্থনে বিদ্যানন্দপুর গ্রামে প্রচারে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকেই হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। এদিনের এই নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক তথা নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন চাকদার বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র ঘোষ, রানাঘাট উত্তর পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাস সহ জেলার নেতৃত্বরাও।

এদিন এই হকার উচ্ছেদ নিয়ে সরব হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যেসব সরকারি জায়গা রয়েছে, সেখানে  অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। নিজের দম থাকলে পার্টি অফিসগুলো আগে ভাঙুন। যদি আপনার কাছে বুলডোজার থাকে, আগে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙুন। তিলজলার অফিসটা ভাঙুন” (Dilip Ghosh opened up about Hawker Eviction)

এরপরই তিনি বলেন, “রাস্তার ফুটপাত, পিডাব্লুর জায়গা, ইরিগেশনের জায়গা, রেলের জায়গা, যেখানে যত জায়গা আছে সেখানে একটা তৃণমূল কংগ্রেসের রাতারাতি পার্টি অফিস তৈরি হয়ে গিয়েছে। তারপর ঝান্ডা লেগেছে। সেখানে পার্টির কিছু কাজ হয় না। পার্টির নেতারা ওখানে বসে তোলাবাজি করেন। ওটা ব্যবসার জায়গা তৈরি হয়েছে” (Dilip Ghosh opened up about Hawker Eviction)

প্রসঙ্গত, এই হকার উচ্ছেদ নিয়ে আগেই সরব হয়েছিল গেরুয়া শিবির। হঠাৎ করে গরীব মানুষগুলোকে উচ্ছেদ করে তাদের রুজি-রুটি বন্ধ করার বিরুদ্ধে মুখ খোলে তারা। যদিও পুলিশের এই বুলডোজার নীতি নিয়ে ধমক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক মাস এই ভাঙচুর বন্ধ রেখে হকারদের অন্যত্র সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেক জায়গাতেই সেই নির্দেশ অমান্য করে ভাঙচুর চালাচ্ছে পুলিশ।

আরও অন্যান্য খবর