CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট প্রায় ২৬০০০ শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিল করেছে। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আপাতত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এবার প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও সামনে এল বড় তথ্য। অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। আর এই ঘটনায় শিক্ষা দফতরের অফিসার ও কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আঁতাত ছিল বলে খবর। এই ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে দাবী সিবিআইয়ের (CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case)।
কিছুদিন আগেই বিকাশ ভবনে হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেখানে একটি ঘর থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে জানা যায়। সিবিআই সূত্রে খবর, সেই ঘরটি ২০২২ সাল থেকে বন্ধ ছিল। শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, সেই ঘরে নিয়োগের নানান নথি রয়েছে (CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case)।
এদিকে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের খোঁজ করতে গিয়ে ওই ঘরে থাকা নথি যাচাই করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সময়ই সেখান থেকে মেলে প্রাথমিকে নিয়োগের জন্য অযোগ্য প্রার্থীদের ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের তালিকা। সেখানে প্রায় দেড় হাজার জনের নাম ছিল বলে সিবিআই সূত্রে খবর (CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case)।
নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে আপাতত রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জেলবন্দি। ধৃত তাপস মণ্ডল ও কুণাল ঘোষকে জেরা করে এই ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের বিষয়ে জানতে পারেন তদন্তকারী আধিকারিকরা (CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case)। এই তাপস ও কুন্তল ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ। তিনিও এই মুহূর্তে জেলবন্দি।
সিবিআই সূত্রে খবর, তাপস মণ্ডল জানিয়েছেন, কুন্তল ঘোষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় হাজার জন অযোগ্য প্রার্থীর থেকে দু’তিন লক্ষ টাকা করে নিয়েছিলেন। শিক্ষা দফতরের একাধিক কর্তা ও কর্মী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে ২০১৯ সালে ওই অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল (CBI suspected for fake interviews for incapable candidate in recruitment scam case)। কুন্তলকে এই বিষয়ে জেরা করলে শিক্ষা দফতরের বেশ কিছু আধিকারিকদের নাম সামনে আসে। সেই নাম ও সেই ভুয়ো ইন্টারভিউ দিতে আসা অযোগ্য প্রার্থীদের নাম নিয়োগ দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালতে পেশ করবে সিবিআই, এমনটাই খবর।





