Mahua Moitra Slammed Shantanu Thakur: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবী, বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নাম ছাপানো সরকারি প্যাডে গোমাংস পাচারের ছাড় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Mahua Moitra Slammed Shantanu Thakur)। সেই চিঠি পোস্ট করেন তৃণমূল নেত্রী।
আজ, সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই চিঠি পোস্ট করে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র লেখেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি সিলমোহরে নাম-ঠিকানাসহ একটি ফর্ম ছাপিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাপাচার কারবারিদের ছাড়পত্র দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে। শুধু তাই নয়, গোরক্ষক পার্টির নেতা গরুর মাংস পাচারের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ওই লিখিত চিঠিতে” (Mahua Moitra Slammed Shantanu Thakur)।
মহুয়া অভিযোগ করেছেন যে শান্তনু ঠাকুর বিএসএফের ৮৫বিএনকে সীমান্ত চোরাকারবারিদের ছাড়পত্র দিয়েছেন যাতে ৩ কেজি করে গোমাংস পাচার করা যেতে পারে। এই বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের তরফে শান্তনু ঠাকুরকে প্রশ্ন করা হয় (Mahua Moitra Slammed Shantanu Thakur)। সেই সময় তিনি বলেন, “মহুয়া মৈত্র যা লিখেছেন, মহুয়া মৈত্র কিছুই জানেন না এ বিষয়ে। মহুয়া মৈত্রের জানা উচিত ছিল স্বরূপনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাকিমপুরে কী অবস্থা আছে ওখানে। আমাকে কালিমালিপ্ত করতে উনি এটা করতে চাইছেন। উনি যে কাজ করেছেন, তা সম্পূর্ণ একটি অশিক্ষিত কাজ”।
পাল্টা তোপ দেগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমি জানতাম উনি একজন শিক্ষিত মহিলা। উনি জানেন না যে, ওখানে জিরো পয়েন্টে কয়েক হাজার লোক বাস করেন। ওখানে রোজকার জিনিসপত্র নিয়ে যেতে গেলে স্থানীয় টিএমসি-র নেতাদের প্যাড লাগে। ওখানকার নেতাদের প্যাড আছে, সেই প্যাডের মাধ্যমে নিয়ে যায়। নিয়ে যেতে হয়, তা না হলে বিএসএফ ওখানে মালপত্র নিয়ে যেতে দেয় না। ফলে, ওই প্যাড টিএমসি তাদেরই দেয়, যারা ওদের সমর্থন করে”।
শান্তনুর আরও অভিযোগ, “তাহলে আমাদের লোকগুলো কী করে বাঁচবে। আমাদের তো ওখানে বিধায়কও নেই। আমাদের লোকগুলোকে তো পাস দেওয়া হয় না। শুধু তাই নয়, ওখানে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গেলে, কিংবা ছেলে দেখতে গেলে মেয়ে বা ছেলের কর্তৃপক্ষকে বস্ত্র অর্থাৎ সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে চেক করা হয়। এটা দেশের পক্ষে একটা বেইজ্জতির ব্যাপার”।
শান্তনুর কথায়, “তিনি বিজেপির লোকদের পক্ষে গিয়েছেন, সাধারণ মানুষের পক্ষাবলম্বন করেছেন। আর এটা নতুন কিছু নয়, লুকানোও কিছু নয়। সবাই সব কিছু জানে। সেখানে আমরা আমাদের লোকদের একটা প্যাড দিয়ে দিই। এটা আমাদের দলের লোকদের সুবিধার জন্য। এটা পাচারের জন্য নয়। এবারে তারা সেখানে ধান লিখবে, গম লিখবে, না বাফেলো লিখবে সেটা তো তাদের ব্যাপার। মহুয়া মৈত্র সম্পূর্ণ অশিক্ষিতের মতো কাজ করেছেন। তাঁর এটা জানা উচিত ছিল, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এতটা বোকা নয় যে, পাচারের জন্য ৩ কেজি বিফ বা গোমাংস ওখানে লেখা থাকবে” (Mahua Moitra Slammed Shantanu Thakur)।





