Calcutta High Court Ordered for Primary TET: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে ২০১৬ সালের এসএসসি-র চাকরি বাতিলের মামলা। এই মুহূর্তে ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি ঝুলে রয়েছে বলা যায়। আর এরই মাঝে এবার প্রাথমিকের ৪২,০০০ নিয়োগ নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টে উঠল প্রশ্ন (Calcutta High Court Ordered for Primary TET)। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
প্রাথমিকে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা হল টেট। ২০১৪ সালে টেট হয়েছিল। ২০১৬ সালে হয় সেই নিয়োগ। সেই সময় প্যানেল থেকে ৪২,০০০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু সে নিয়োগকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এক চাকরিপ্রার্থী।
চাকরিপ্রার্থী জানান, ২০১৬ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারা প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হন নি। সেই কারণে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত প্যানেল প্রকাশের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বোর্ডের তরফে সেই প্যানেল প্রকাশ করা হয়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মামলাকারী। আজ, মঙ্গলবার এই মামলা ওঠে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে (Calcutta High Court Ordered for Primary TET)।
এদিন এই মামলা শুনে বিচারপতি বলেন, “আপনারা ডেড প্যানেলই প্রকাশ করুন। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই দেখতে চাই”। এরপর মামলাকারীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, মূল প্যানেলই যদি প্রকাশিত না হয়ে থাকে, তাহলে অতিরিক্ত প্যানেল প্রকাশ হবে কীভাবে (Calcutta High Court Ordered for Primary TET)?
এদিন মামলাকারীর আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য জানান, “বোর্ড মেরিট লিস্ট করেনি। অতিরিক্ত ৫ শতাংশের তালিকাও প্রস্তুত করেনি। বোর্ড বার বার বলেছে, প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ”। এই বিষয়ে বোর্ডের পালটা যুক্তি, “নম্বর প্রকাশিত হয়েছে। নম্বর ব্রেক আপের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল প্রকাশিত করা সম্ভব নয়”।
দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে বিচারপতির সিনহা বলেন, “পরীক্ষার্থী খারাপ হতে পারেন। কিন্তু আপনি রাজ্যের শক্তিশালী অঙ্গ। আগেও এই ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপনারা প্যানেল প্রকাশ করুন। ডেড প্যানেলই প্রকাশ করুন” (Calcutta High Court Ordered for Primary TET)। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা।






