Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime: বাংলাদেশে গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুস। আর এরই মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশিদের ভিড় বাড়ছে বলে সতর্ক করল পুলিশ। তারা সেখানে অপেক্ষারত যদি কোনওভাবে ভারতে প্রবেশ করা যায় (Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime)।
গত সোমবার পতন হয়েছে হাসিনা সরকারের। প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন তিনি। আপাতত ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তবে হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকেই সেই দেশে নৈরাজ্য শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। সংখ্যালঘুদের উপর বেড়েছে অত্যাচার। বাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, লুটপাট চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় সীমান্তে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশিদের ভিড় (Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime)।
বিএসএফের তরফে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল যে বাংলাদেশের জামাত জঙ্গিরা যারা জেল থেকে পালিয়েছে, তারা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে (Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime)। এর জন্য সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বিএসএফ। এবার পুলিশ আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ছিটমহলের সীমান্তে বাড়ছে বাংলাদেশিদের ভিড়। ছিটমহলবাসীদের এই নিয়ে সতর্ক করল পুলিশ।
২০১৫ সালে যখন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় হয়, সেই সময় ভারতে বাংলাদেশ থেকে ৯৬টি পরিবার আসে। তারা এখন ভারতীয় তবে তাদের অনেক আত্মীয়ই রয়ে গিয়েছে ওপার বাংলায়। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের উত্তর বড় হলদিবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুল তলা গ্রামে ‘পার্মানেন্ট সেটেলমেন্ট ক্যাম্প’ তৈরি করেছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আপাতত ৬০০-এর বেশি মানুষ বসবাস করেন।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নারকীয় অত্যাচার চলছে বলে খবর। সেই কারণে ভারতে থাকা ছিটমহলবাসীরা চাইছেন যাতে সেই অত্যাচারিত মানুষদের ভারতে আনা হয় (Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime)। তবে পুলিশের তরফে সতর্ক করা হয়েছে কেউ যাতে এমন দাবী নিয়ে আন্দোলন না শুরু করে। গতকাল, বৃহস্পতিবার এই সেটেলমেন্ট ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন কোচবিহার জেলার পুলিশ আধিকারিকরা। বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন তাদের সঙ্গে। কেউ আশ্রয় চাইলেই যে তাঁকে আশ্রয় দেওয়া হবে না, তাও জানানো হয় সেখানকার বাসিন্দাদের।
এই বিষয়ে ছিটমহলের এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের অনেক আত্মীয় ওখানে আছে। ওরা খুব চিন্তায় আছে। রাতে ঘুমোতে পারছে না। হিন্দুরা অন্তত চলে এলে ভালো হয়। হাসিনা নেই, আর দেখবে কে”? বলে রাখি, শুধুমাত্র ছিটমহলই নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য বাংলাদেশ সীমান্তেও বেশ ভিড় দেখা গিয়েছে বাংলাদেশিদের। অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ (Bangladeshis May Infiltrate to India Anytime)। নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ।





