আর জি কর কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য পুলিশ। নানান জমায়েত থেকে পুলিশের আটক থেকে শুরু করে আর জি করে হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। এরপরই পুলিশের উপর ক্ষোভ বর্ষণ করেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।
আজ, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল আর জি কর কাণ্ডের শুনানি। এদিন রাজ্যকে বেশ প্রশ্নের পড়তে হয় শীর্ষ আদালতের। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। এই মামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত।
এদিন এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, তরুণী চিকিৎসকের জন্য যে আন্দোলন বা প্রতিবাদ মিছিল করা হচ্ছে জনসাধারণের তরফে। সেই মিছিলে যাতে পুলিশ কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ না করে বা কোনও আটক যাতে সেই মিছিল থেকে না করা হয়, সেই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে। এদিন আন্দোলনরত চিকিৎসকদেরও কাজে ফেরার অনুরোধ করে শীর্ষ আদালত।
এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, “এটা শুধুমাত্র একটি খুনের মামলা নয়। টেরিফিক ঘটনা। গোটা দেশ জুড়ে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয় এটা। তরুণ চিকিৎসক, ইন্টার্ন, বিশেষত মহিলা চিকিৎসকদের কর্মস্থলের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন। কোনও ডিউটি রুম নেই। সুরক্ষার জন্য একটা প্রোটোকল তৈরি হওয়া উচিত। সুরক্ষিত কর্মস্থল তৈরি করা দরকার। মহিলারা যদি কর্মস্থলে যেতে না পারেন, তাহলে সমতা বলে কিছু থাকবে না। শুধু খাতায়-কলমে থাকলে হবে না, এমন প্রোটোকল তৈরি করতে হবে”।
আগামী বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি। সেদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে শীর্ষ আদালত। বলেছে, আমরা চাই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে সিবিআই আমাদের অবহিত করুক। সর্বোচ্চ আদালত আরও জানায়, “আমরা একটি ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করছি। আমরা চাই এই টাস্ক ফোর্স সুপারিশ করবে। দেশের প্রবীণ ও নবীন ডাক্তারদের জন্য গোটা দেশে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মনীতি রূপায়ণের পরামর্শ দেবে এই কমিটি”।





