নবান্ন অভিযানকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি। আন্দোলনকারীদের আটকাতে নবান্নগামী সমস্ত রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দিয়েছিল পুলিশ। অভিযানের শুরুতেই দেখা যায় সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীরা। এরপরই শুরু হয় দু’পক্ষের সংঘর্ষ।
সাঁতরাগাছি ও হাওড়া ব্রিজে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সেই সময় লাঠি হাতে আন্দোলনকারীদের ছুটে যায় পুলিশ। আন্দোলনকারীরা আরও এগোনোর চেষ্টা করতে শুরু হয় জলকামান। এরপর ফাটানো হতে থাকে কাঁদানে গ্যাসের শেল।
অহরহ এই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো ও জলকামান ছোঁড়ার জেরে আটকে থাকেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু থেমে যান নি তারা। সেই জলকামান ভেদ করেও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। তাদের দাবী, তারা তো শান্তিপূর্ণভাবেই মিছিল করতে চেয়েছিলেন, তাহলে পুলিশ কেন বাধা দিল তাদের।
এদিকে হাওড়া ময়দানেও একই পরিস্থিতি। আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকায় পুলিশ। তবে সেই ব্যারিকেড ভেঙে দেয় বিক্ষোভকারীরা। শুরু হয় পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পুলিশকে তাড়া করে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের লাঠি তুলেই পুলিশকে মারে তারা।
একের পর এক কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাতে থাকে পুলিশ। এমন আনভে পুলিশের দিকে পাল্টা ইট-পাটকেল ছোঁড়া শুরু হয়। এই ইটের আঘাতে মাথা ফাতে চণ্ডীপুর থানার আইসির। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও চলছে পুলিশের কাঁদানে গ্যাসের শেল জলকামান।
প্রসঙ্গত, জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে আন্দোলনকারীরা। এদিকে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন “আজ পুলিশ গুলি করুক। যা করুক বুক পেতে মেনে নেব। গুলি করলেও পিছু হটব না”। আরও এক আন্দোলনকারী বলেন, “আজ কোনও বাধা মানব না। মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতেই হবে। কোনও কথা শুনব না”।






