বিষমদের কারণে মৃত্যু হল একাধিকের। বেড়েই চলেছে মৃতদের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আশঙ্কাজনক আরও ৩০ জন। এই অবস্থায় এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করা হলে বিরোধীদের তরফে।
তবে সরকারের তরফে বিষমদের জেরে মৃত্যুর অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। যদিও স্থানীয়দের দাবী, বিষমদের কারণেই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর আশঙ্কাজনক অবস্থাতেও হাসপাতালে ভর্তি একাধিক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রীকে কার্যত ‘খুনি’ বলে কটাক্ষ বিরোধীদের।
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের সিওয়ান ও সারণ জেলায়। এই ঘটনায় বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেন, এই ঘটনা আসলে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের চাল। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবী করেন, রাজ্যে মদ বন্ধের নামে আসলে ভ্রষ্টাচার করছেন নীতীশ কুমার।
নীতীশের দিকে কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তেজস্বী যাদব জিজ্ঞাসা করেন, বিহারে যদি বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার হয়, তাহলে সেই দায় কে নেবে? এত মানুষের মৃত্যুর কারণে জেডিইউ সুপ্রিমোকে ‘খুনি’ তকমা দিয়েছেন আরজেডি নেতা।
এখানেই শেষ নয়, তেজস্বী যাদবের আরও প্রশ্ন, এতদিন বিহারে মদের রমরমা চললেও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি কেন? এই ঘটনা কী আসলে পুলিশের ব্যর্থতা নাকি এর নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড আসলে নীতীশ কুমারই, এমন প্রশ্নও তুলেছেন আরেজডি নেতা।
शराबबंदी श्री नीतीश कुमार के संस्थागत भ्रष्टाचार का एक छोटा सा नमूना है। अगर शराबबंदी हुई है तो इसे पूर्ण रूप से लागू करना सरकार का दायित्व है लेकिन मुख्यमंत्री की वैचारिक व नीतिगत अस्पष्टता, कमजोर इच्छाशक्ति तथा जनप्रतिनिधियों की बजाय चुनिंदा अधिकारियों पर निर्भरता के कारण आज…
— Tejashwi Yadav (@yadavtejashwi) October 18, 2024
আরও পড়ুনঃ দারুণ খবর! এবার থেকে মাসে দু’বার মিলবে রেশন, আমজনতার কথা মাথায় রেখে দারুণ উদ্যোগ সরকারের
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে বুঝে ও বিরোধীদের এমন চাপের জেরে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে করেন নীতীশ কুমার। আবগারি বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেন যাতে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। এই ঘটনায় দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।





