‘একদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবে অভিষেক…’, অভিষেককে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী সম্বোধন করে ইঙ্গিতবাহী পোস্ট কুণালের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তিনিই পরবর্তীকালে হবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এমনটাই ঘোষণা তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের। অভিষেকের জন্মদিনের একদিন আগেই তাঁকে দিয়ে ইঙ্গিতবাহী পোস্ট কুণালের।   

আগামীকাল, বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। এর ঠিক আগের দিনই কুণাল ঘোষের এহেন একটি যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি বলে দাবিক্রে পোস্ট করেছিলেন কুণাল। সাংবাদিক সম্মেলনেও এমন বার্তা দিয়েছেন।

এবার জন্মদিনের আগের দিন অভিষেককে নিয়ে পোস্ট করে কুণাল লিখলেন, “সময়ের নিয়মে মমতাদির পর একদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবে অভিষেক, তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি থেকে যুগান্তরের পতাকায় কান্ডারী। মমতাদির ঘরানার সময়োপযোগী ধারক ও বাহক। মমতাদির নেতৃত্ব চলতে থাকুক, আর তার মধ্যেই আগামীর পদধ্বনি হতে থাকুক বাংলার রাজনৈতিক সামাজিক চালচিত্রে। যতদিন আমি তৃণমূলে থাকব, ততদিনই অভিষেক আমার নেতা”।

কুণালের এই পোস্টের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আর বেশি তেল দিলে অভিষেক পা হড়কে পড়ে যাবেন। এ বড় বিদূষক! তৈলমর্দন করেই জীবন বাঁচে। ২৬-এর পর হতে পারলে হয়ে দেখাক”।

বলে রাখি, কিছুদিম আগেই তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ মঙ্গল অভিষেককে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলে সম্বোধন করেছিলেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়। শুধু তিনিই নন, নানান সময়ই শাসক দলের নানান নেতারা এমন মন্তব্য করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অভিষেককে নিজের উত্তরসূরি বলে ঘোষণা করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে ১৮ কোটি টাকার ওষুধ দিল কলকাতার হাসপাতাল, বিরল রোগের চিকিৎসা পেয়ে সুস্থতার পথে ১৬ মাসের শিশু

তবে কুণালের এদিনের এই পোস্ট থেকে প্রশ্ন উঠছে, কেন কুণালকে বারবার অভিষেককে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী বলে উল্লেখ করতে হচ্ছে? তাহলে কী দলের মধ্যে এই নিয়ে কোনও চাপা উত্তেজনা চলছে? এমনিতেই তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব যে বর্তমান, তা কারোর অজানা নয়। ফলে অভিষেককে মমতার উত্তরসূরি হিসেবে মেনে নিতে কী কেউ বিরোধিতা করছেন দলের মধ্যেই? যদিও তৃণমূলের তরফে কুণালের এই পোস্টের কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।  

আরও অন্যান্য খবর