তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, আর এর জন্য রাশিয়ান কেমিক্যাল তাঁর শরীরে ঢোকানো হবে, এমনটাই দাবী করেছিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। আর এবার সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে আজ, শনিবার সকাল সকাল তিনি ছুটলেন হাসপাতালে। উদ্দেশ্য, গোটা শরীর পরীক্ষা করা।
প্রসঙ্গত, প্রায় চার বছর আগের ভাটপাড়া পুরসভার একটি মামলায় সিআইডি তলব করেছিল অর্জুন সিংকে। গত বৃহস্পতিবার সিআইডি দফতরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক বিস্ফোরক দাবী করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য রাশিয়ান স্প্রে আনা হচ্ছে।
বিজেপি নেতার দাবী ছিল, “অর্জুন সিং, শুভেন্দু অধিকারীর মতো আরও চারজন বিজেপি নেতাকে প্রাণে মেরে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাশিয়া থেকে একটি রাসায়নিক কেমিক্যাল জাতীয় জিনিস দিয়ে আমাদের মারার চক্রান্ত করা হচ্ছে। সিআইডি বা অন্য কোনও এজেন্সি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়ে সেই কেমিক্যাল যদি চেয়ারের আশেপাশেও স্প্রে করে দেয় তবে সঙ্গে সঙ্গে কিছু হবে না, কিন্তু তিন থেকে ছ’মাস পরে মাল্টি অর্গান ফেলিওর হতে পারে। আজ সিআইডির মুখোমুখি হচ্ছি। যদি আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে আমার মাল্টি অর্গান ফেলিওর হয় তাহলে তার দায় রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের”।
সিআইডি দফতরে হাজিরার পর আজ, শনিবার অর্জুন ছুটলেন অ্যাপোলো হাসপাতালে। গোটা দেহ পরীক্ষা করাই তাঁর উদ্দেশ্য। শরীরে রাশিয়ান বিষ ঢুকেছে কী না, তা নিশ্চিত হতে চান তিনি। এই বিষয়ে অর্জুন সিং বলেন, “এখন প্রযুক্তি অনেক উন্নতি। যারা আমার এই কেমিক্যাল নিয়ে হাসাহাসি করছেন, তারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। আমার কাছে তথ্য আছে, তাই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হাসপাতালে এসেছি”।
এর আগে এই রাশিয়ান বিষ সম্পর্কে অর্জুনের দাবীর প্রেক্ষিতে তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেছিলেন, “অর্জুন সিংয়ের মাথায় কেমিক্যাল লোচা হয়েছে। ওর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গেছে। ওকে বাইরে ছেড়ে রাখা নিরাপদ নয়। ওর চিকিৎসা দরকার”। এবার অর্জুনের হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে তিনি আরও কোনও মন্তব্য করেন কী না, সেটাই দেখার!






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার