জানুয়ারির(January) শেষেও শীতের তেমন দেখা নেই, অথচ আবহাওয়ার খেলা চলছেই। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাল্কা শীতের সঙ্গে মিশেছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। শীতপ্রেমীরা আশায় রয়েছেন, ফের কবে তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী হবে। তবে এরই মধ্যে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে, যা নতুন করে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বুধবার রাত থেকে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে শীতের অনুভূতি খানিকটা ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থানেও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই এই আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের বেশ কয়েকটি অংশেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিহারের কিছু এলাকায় কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকলেও সেখানে হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের বিভিন্ন জায়গায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। হিমালয়ের অংশবিশেষে সামান্য বৃষ্টি এবং উচ্চতম অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে, দক্ষিণবঙ্গেও তাপমাত্রা বাড়ার খবর মিলেছে। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ২৬ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রার পারদ ফের নামবে। বেশ কিছু জেলায় ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমতে পারে।
আরও পড়ুনঃ শনির কৃপায় বদলাবে ভাগ্য! বসন্ত পঞ্চমীতে ৩ রাশির সুখের জোয়ার!
উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার হাল্কা বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এদিকে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদসহ বেশ কয়েকটি জেলায় কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারেরও কম হতে পারে। আগামী সপ্তাহে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এই পরিবর্তনের জন্য নজর থাকবে আবহাওয়া দপ্তরের।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার