গরম যেন এই বছর আরও একটু বেশি তীব্র রূপে দেখা দিয়েছে। মার্চের শেষ থেকে রাস্তায় বেরোলেই গরমের কামড় টের পাচ্ছে সবাই। সকাল থেকেই রোদের তেজ বাড়তে শুরু করছে, দুপুরে তা অসহ্য পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। দোকান-বাজার, অফিস বা রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে যেন শরীর গলে যাচ্ছে। ফ্যান, কুলার, এসি চালিয়েও যেন শান্তি মিলছে না। শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও একই অবস্থা। এই গরমে হাঁসফাঁস করছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। তবে আশার আলো দেখাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। সামনের সপ্তাহেই দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে।
গ্রীষ্মের এই সময়ে এমনিতেই গরমের দাপট থাকে, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি যেন একটু অন্যরকম। আগের বছরগুলোর তুলনায় এবারের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় ইতিমধ্যেই পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলো— পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো এলাকাগুলিতে ভয়ানক গরম পড়েছে। দুপুরে রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, লোকজন প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোচ্ছেই না। এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কিছুটা হলেও স্বস্তি দিল।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের ওপর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে চলেছে, যার ফলে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। এই কারণেই বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। তারপর ধাপে ধাপে আরও কিছু জেলায় তা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃহস্পতিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমানেও এই প্রভাব পড়তে পারে। শুধু বৃষ্টি নয়, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরমের দাপট পুরোপুরি কমবে না। কারণ, এপ্রিল-মে এমনিতেই প্রচণ্ড গরমের সময়। ফলে কিছুদিনের স্বস্তি মিললেও তাপমাত্রা দ্রুত আবার বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ Astrology: দীর্ঘ ১৮ বছর পর রাহু-বুধ মিলন ! ৪টি রাশির জন্য অপেক্ষা করছে চমকপ্রদ পরিবর্তন!
যদিও মৌসম ভবন জানিয়েছে, সামনের কয়েক মাস, অর্থাৎ এপ্রিল-মে-জুনে দেশজুড়েই তাপপ্রবাহ চলবে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি থাকবে। বিশেষত পশ্চিমের জেলাগুলোতে তাপপ্রবাহ আরও ভয়ানক হতে পারে। তাই মাসের শুরুতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও গরম থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার