সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা। মঙ্গলবার রাত থেকে একাধিক যুদ্ধবিমান বারবার উড়ে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানের আকাশে। F-16 থেকে শুরু করে JF-17, IL-78—পাক বায়ুসেনার এমন তৎপরতা কেবলমাত্র রুটিন নয়, বরং তার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে গভীর আতঙ্ক। ভারতীয় সেনার সাম্প্রতিক মক ড্রিল এবং আচমকা হামলা ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনও দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করছে পাকিস্তানকে।
যখন গোটা বিশ্বের নজর ছিল গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের দিকে—কারণ চলছিল আইপিএলের ফাইনাল—ঠিক সেই সময় পাকিস্তান নিশ্চিন্ত থাকতে পারেনি। বরং সেই ‘বড় ইভেন্ট’-এর আড়ালেই আবার কোনও চমক দিতে পারে ভারত, এই আশঙ্কাতেই পাকিস্তান যুদ্ধবিমান একের পর এক আকাশে ওড়াতে শুরু করে। একাধিক বায়ুসেনা ঘাঁটির আকাশে চক্কর দিতে থাকে নজরদারি ড্রোন থেকে যুদ্ধবিমান।
চারটি পাক ঘাঁটির আকাশে যুদ্ধবিমান
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের স্কারগোধা, নূর খান-সহ মোট চারটি বায়ুসেনা ঘাঁটির আকাশে মধ্যরাত পর্যন্ত চক্কর দিতে থাকে F-16, JF-17, IL-78 এবং P24 নজরদারি ড্রোন। ভারতীয় র্যাডার সিস্টেমে ধরা পড়ে তাদের গতিবিধি। পাকিস্তানের এমন তৎপরতা নিছক মহড়া নয় বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
ভারতের পাল্টা প্রস্তুতি, সক্রিয় S-400
ভারতের নর্দান কমান্ডে থাকা বায়ুসেনার ঘাঁটিগুলিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। যুদ্ধবিমানকে প্রস্তুত রাখা হয় সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য। কার্যকর করা হয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। S-400-এর মতো শক্তিশালী অস্ত্রও তৈরি রাখা হয়েছিল প্রতিক্রিয়ার জন্য। তবে সেনা সূত্রে খবর, পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান কোনওভাবেই নিজেদের আকাশ সীমার বাইরে আসেনি।
আরও পড়ুনঃ Yashwant Varma : যশবন্ত ভার্মাকে সরাতে সংসদে ইমপিচমেন্ট! বিচারপতির বাড়িতে আগুন,উদ্ধার কোটি টাকার পোড়ানো!
অবস্থার গুরুতরতা বোঝাতে যথেষ্ট একটি তথ্য উঠে এসেছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ইমতিয়াজ গুল জানিয়েছেন, পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেস বর্তমানে মার্কিন সেনার দখলে। এমনকি পাক সেনা আধিকারিকদেরও সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। একদিকে ভারতের অভিযান, অন্যদিকে মার্কিন কড়াকড়ি—দুই দিক থেকেই ঘিরে ধরেছে পাকিস্তানকে। অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি, এমন ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সকলেই দিয়েছেন। তাই আপাতত সীমান্ত পরিস্থিতি যে অশান্ত, তা বলাই বাহুল্য।





