নির্বাচনের মরসুম শেষ হয়েছে আগেই কিন্তু বাংলার রাজনৈতিক মহল যেন উত্তপ্তই থেকে যাচ্ছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিতর্কিত ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে অভিযোগ, এক বাংলাদেশি নাগরিককে জামিন করাতে নাকি ছুটে গিয়েছিলেন শাসক দলেরই এক শীর্ষস্থানীয় নেতা। এই ছবি ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। মুখ খুলেছেন তৃণমূলেরই এক পঞ্চায়েত সদস্য। যদিও অভিযুক্ত নেতা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।
কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব দাস বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের নাগরিক নিউটন দাসকে জামিন করানোর জন্য একাধিকবার বনগাঁ আদালতে গিয়েছিলেন সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি দেবাশিস দাস। সম্প্রতি সেই ছবি ভাইরাল হতেই দেবাশিসবাবু বলেন, ‘‘অনেকে অনেক কিছু বলবে, আমি গায়ে মাখি না।’’
২০২১ সালের অক্টোবরে বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পথে ধরা পড়েছিলেন নিউটন দাস। তাঁর কাছে ছিল বাংলাদেশের পাসপোর্ট। কিন্তু তার পাশাপাশি মিলেছিল ভারতের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড। এই নিয়েই সন্দেহের সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রায় তিন মাস জেলে থাকার পরে জামিন পান তিনি।
বিপ্লব দাসের অভিযোগ, জামিনের পরে নিউটন আবার কাকদ্বীপে ফিরে এসে দেবাশিস দাস ও এক ব্যবসায়ী সহযোগীর সঙ্গে রেস্তরাঁ ব্যবসা শুরু করেন। পরে ব্যবসা বন্ধের সময় দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেন বলেও অভিযোগ। বিপ্লববাবুর আরও দাবি, দেবাশিস দাসের সঙ্গে নিউটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। মিটিং-মিছিলে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা যেত।
আরও পড়ুনঃ Weather update : গরমে হাঁসফাঁস বাংলা! দক্ষিণবঙ্গে এই সপ্তাহেই কি নামবে বর্ষা? জেনে নিন আবহাওয়ার নতুন আপডেট!
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেবাশিস দাস। তাঁর কথায়, ‘‘আমার নামে যদি কেউ অভিযোগ করে থাকে, তার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না। আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকলে থানায় কেস করুক। কাকদ্বীপে ২০০ থেকে ৩০০ জন সদস্য রয়েছেন, কে কি বলল তাতে কিছু যায় আসে না।’’





