সংক্রমণের আশঙ্কায় এবার বন্ধ হলো তেঘরিয়ার স্পন্দন হাসপাতাল

কলকাতায় একের পর এক বন্ধ হচ্ছে হাসপাতাল, নার্সিংহোম। পিয়ারলেস, পার্ক সার্কাস শিশু হাসপাতাল ‘ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ’-এর পর সাময়িকভাবে বন্ধ হল তেঘরিয়ার স্পন্দন হাসপাতাল। আজ ওই হাসপাতালে রাজারহাট বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা এক করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর‌ই সংক্রমণের আশঙ্কায় চিকিৎসক সহ ১০ জনকে পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। হাসপাতাল জীবানুমুক্ত করার জন্য রবিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আপাতত তাই ওই হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ থাকছে। রবিবারের পর আবার নতুন করে খোলা হবে হাসপাতাল।

এর দুদিন আগে খবর পাওয়া গিয়েছিল সাময়িক ভাবে চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে পিয়ারলেস হাসপাতাল। সোমবার বিকেলে হাসপাতালের তরফে এক বিবৃতিতে এ কথা ঘোষণা করা হয়। কোভিড আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালের অনেক স্বাস্থ্যকর্মীই তাঁদের সংস্পর্শে এসেছেন। ফলে হাসপাতালের অনেক কর্মী কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন, অনেকে হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আবার অনেকে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে হাসপাতালে কাজে যোগ দিচ্ছেন না। এই অবস্থায় বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল খবর পাওয়া যায় পার্ক সার্কাসের শিশু হাসপাতাল ‘ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেল্থ’ সাময়িক ভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, ওই হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ১৪ জন নার্সের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। এর ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল স্যানিটাইজ় করার পরে ফের শুরু হবে চিকিৎসা পরিষেবা। তবে ওই হাসপাতলে এখনও যাঁরা ভর্তি আছেন তাঁদের চিকিৎসা অবশ্য বন্ধ হবে না।
কিছুদিন আগেই একাধিক চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন মেডিক্যাল কলেজে। বন্ধ রাখা হয় সেই হাসপাতালও। একই কারণে স্যানিটাইজ করার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল চার্নক হাসপাতাল। কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকেও একের পর এক স্বাস্থ্যকর্মীর আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে।

RELATED Articles

Leave a Comment