এবার ধীরে ধীরে লকডাউনেকে শিথিল করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মঙ্গলবার সেই ইঙ্গিতই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নতুন করে আরও কিছু ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করলেন তিনি। তবে এই ছাড়গুলি রেড জোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর নয় বরং মানুষের জীবন ও জীবিকা সচল রাখতেও তৎপর রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, এদিন চপের দোকানও খোলার অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন নতুন করে অনেকগুলি ছাডড়ের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সব ক্ষেত্রেই তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিধি মেনেই সব কিছু করতে হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগেই শপিং মল ও মার্কেট কমপ্লেক্সের বাইরে অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন দোকান খোলার অনুমতি দিয়েই দিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার গয়নার দোকান, রেস্টুরেন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান খোলার অনুমতিও দিলেন তিনি।
রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে চায়ের দোকানের বিধি। অর্থাৎ সেখানে বসে খাওয়া চলবে না।রেস্টুরেন্ট থেকে রান্না করা খাবার প্যাকেটে করে বাড়ি নিয়ে আসতে হবে। সঙ্গে মোবাইল রিচার্জের দোকানও খোলা খাবে বলে ঘোষণা মমতার। তবে সবই খোলা যাবে বেলা ১২টা থেকে সন্ধে ৬টা অবধি।
এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী চপের দোকানও খোলার নির্দেশ দেন। মমতা বলেন, ‘কেউ আলুর চপ বানাতে চাইলে বানাক না। দুটো ইনকাম হবে তো।’ এদিন রেড জোন বাদ দিয়ে বাকি সবজায়গাতেই স্বাভাবিক জীবন যাপনের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু সব ক্ষেত্রেই সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে। তিনি বলেন, করোনা ছিল, আছে এবং আগামী দিনেও থাকবে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীও আজ রাত ৮ টায় দেশের উদ্দেশ্যে বলেন আমাদের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র রাস্তা হলো আত্মনির্ভরতা। আমরা সকল দেশবাসী যদি ভারতে তৈরি সব জিনিস কিনতে শুরু করি তবে আমরা সবাই মিলে এই সংকটকে কাটিয়ে নতুন ভারত গড়ে তুলতে পারব।






