US Captures Nicolas Maduro: ভোররাতে ৭ বি*স্ফোরণ, আকাশে যুদ্ধবিমান! হঠাৎ নিখোঁজ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট—ট্রাম্পের দাবিতে চমকে বিশ্ব!

ভোররাত, লাতিন আমেরিকার আকাশে আচমকাই বদলে গেল চেনা ছন্দ। গভীর অন্ধকার ভেদ করে ভেসে এল বিস্ফোরণের শব্দ, কেঁপে উঠল রাজধানী কারাকাস। ঘুম ভেঙে আতঙ্কে রাস্তায় নেমে এল মানুষ। কী ঘটছে, কেন ঘটছে—এই প্রশ্নের উত্তর তখনও অজানা। শুধু এটুকুই স্পষ্ট ছিল, ভেনিজুয়েলার মাটিতে বড় কিছু শুরু হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির দাবার বোর্ডে এক মুহূর্তে বদলে যেতে শুরু করল ঘুঁটির অবস্থান।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়। আমেরিকা স্বীকার করে নেয়, ভেনিজুয়েলায় তারা সামরিক অভিযান চালিয়েছে। যুদ্ধবিমান থেকে রকেট হামলার কথা মেনে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি এই নাটকীয় ঘটনা। ওয়াশিংটনের তরফে ইঙ্গিত মেলে, অভিযান শুধুই আকাশপথে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে এমন এক দাবি, যা গোটা বিশ্বের নজর কেড়ে নেয়।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই সামনে এসে ঘোষণা করেন, ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করা হয়েছে। তাঁদের ভেনিজুয়েলার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, এটি একটি “সফল অভিযান” এবং আমেরিকার আইন বিভাগের সহায়তায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরে মার-এ-লাগোতে সাংবাদিক বৈঠকের কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, মাদুরোর বিচার আমেরিকার মাটিতেই হবে।

এই ঘোষণার পরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে কারাকাস থেকে। ভেনিজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানান, প্রেসিডেন্ট মাদুরো কিংবা ফার্স্ট লেডির কোনও খোঁজ পাচ্ছেন না তাঁরা। আমেরিকার হামলায় সেনা, সরকারি আধিকারিক এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রাণহানির অভিযোগও তোলেন তিনি। পাশাপাশি, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী যে জীবিত, তার প্রমাণ পেশ করার জন্য আমেরিকাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানান রডরিগেজ।

আরও পড়ুনঃ Mousam Benjir Noor : দিল্লি থেকেই বড় ধাক্কা তৃণমূলে! রাজ্যসভা ছাড়ার ঘোষণা মৌসম নূরের—কংগ্রেসে ফিরে মালদহে নতুন সমীকরণ!

এই সংঘাত হঠাৎ তৈরি হয়নি। গত কয়েক মাস ধরেই আমেরিকা ও ভেনিজুয়েলার সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, ভেনিজুয়েলা মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং সেদেশ থেকেই বেআইনি অভিবাসন বাড়ছে। পাল্টা মাদুরোর দাবি ছিল, ভেনিজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের দিকেই আসল নজর আমেরিকার। ১৯৮৯ সালে পানামায় হস্তক্ষেপের পর এই প্রথম লাতিন আমেরিকায় এত বড় সরাসরি পদক্ষেপ—যা বিশ্ব রাজনীতিকে এক অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিল।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর