২০ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করা সেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল সংস্থা, ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্প সহ একাধিক খাতে প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন নির্মলা সীতারামন। আজ দ্বিতীয় দফার প্যাকেজ ঘোষণা করছেন অর্থমন্ত্রী।
সাংবাদিক বৈঠকে প্রথমেই নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, আজ মোট ৯টি পদক্ষেপের ঘোষণা করা হবে। তার মধ্যে তিনটি প্যাকেজ বা পদক্ষেপ থাকবে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য।
সবার আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ইতিমধ্যেই কি কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে ভারত সরকার তা দেখে নিন-
১. ১৪.৬২ কোটি শ্রমিকের কর্মদিন ১৩ই মে ২০২০ পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে।
২. এই ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যায় হবে ১০,০০০ কোটি।
৩. গতকাল ১.৮৭ লাখ গ্রাম পঞ্চায়েতে ২.৩৩ কোটি মজুরি প্রার্থীদের কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
৪. গত বছরের মে মাসের তুলনায় এই বছর ৪০-৫০ শতাংশ বেশি ব্যক্তি এই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
৫. মজুরির অর্থ ১৮২ টাকা থেকে বেড়ে ২০২ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
৬. রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আইনের বিধান অনুযায়ী অভিবাসী শ্রমিকদের কাজ যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৭. বর্ষাতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেমন – বৃক্ষরোপণ, উদ্যানতন্ত্র, পশুসম্পদ সম্পর্কিত কাজ ইত্যাদি।
এছাড়াও আজ প্যাকেজে ঘোষণা করা হয়েছে-
৮. পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে নিজের রাজ্যে ফিরে যাতে ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্পে কাজ পান, তা দেখার জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে বলা হয়েছে।
৯. এই খাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
১০. ৭ হাজারেরও বেশি নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে এই করোনা সঙ্কটের সময়ে, তাঁরা সরকারি সাহায্যও ইতিমধ্যেই পেয়েছেন।
১১. এই সব স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্যের অর্থ দেওয়া হয়েছে ‘পয়সা’ পোর্টালের মাধ্যমে।
১২. ইতিমধ্যেই ১২ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী ৩ লক্ষ মাস্ক ও ১ লক্ষ ২০ হাজার লিটার স্যানিটাইজার তৈরি করেছে।
১৩. আশ্রয় নেওয়া মানুষজনকে তিন বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেই টাকাও কেন্দ্র দিয়েছে।
১৪. শহরের গৃহহীনদের জন্য সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
১৫. এই কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি হয়েছে।
১৬. করোনা সঙ্কটের সময়কালে শহরের গরিবদের সাহায্যের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল গঠনের কথাও বলা হয়েছে রাজ্যগুলিকে।





