প্রায় চার মাস কেটে গেলেও অভিনেতা রাহুলের আকস্মিক মৃত্যু এখনও ভুলতে পারেননি ইন্ডাস্ট্রির মানুষজন ও তাঁর অসংখ্য ভক্ত। হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় কিছুদিনের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল টলিপাড়া। সময় এগোলেও সেই শোক এখনো অনেকের মনেই রয়ে গেছে। তাঁর মৃত্যুর পর একের পর এক কাজ মুক্তি পাচ্ছে, কিন্তু এখনও তাঁর মৃত্যুর বিচার হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে।
রাহুলের জীবনের কাছের মানুষদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন যিশু সেনগুপ্ত। শুধু যিশুই নন, তাঁর গোটা পরিবারের সঙ্গেও রাহুলের সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো। রাহুলের মৃত্যুর পর নিলাঞ্জনা ও সানার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও সেই ঘনিষ্ঠতার কথা বারবার উঠে এসেছে। এই সম্পর্ক শুধু সহকর্মীর ছিল না, ছিল পরিবারের মতোই।
যিশুর ব্যক্তিগত জীবনে যখন কঠিন সময় চলছিল, তখনও পাশে ছিলেন রাহুল। তিনি একদিকে নিলাঞ্জনা এবং অন্যদিকে যিশু, দুজনকেই সমানভাবে সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন। একজন ছোট ভাইয়ের মতো দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি সবসময়। সেই স্মৃতিগুলোই এখন আরও বেশি করে মনে পড়ে যিশুর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যিশু জানিয়েছেন, রাহুলের সঙ্গে তাঁর শেষ কথাটা আর বলা হয়নি। তিনি বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলার ছিল, কিন্তু তখন মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না বলে ফোনটি ধরতে পারেননি। পরে রাহুল বহুবার ফোন করলেও আর সেই ফোন ধরা হয়নি। কী বলতে চেয়েছিলেন রাহুল, সেই উত্তর আর কখনও জানা যাবে না, এই আক্ষেপটাই আজও তাড়া করে বেড়ায় তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ ভারতে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনা? চিকিৎসা চললেও বাঁচানো গেল না ৪৬ বছরের ব্যক্তিকে! এতদিন পর কোন কোন রাজ্যে মিলল নতুন করে সংক্রমণের খবর? বাড়ছে উদ্বেগ, আসছে কোভি*ডের তৃতীয় ঢেউ?
এই ঘটনার পর যিশুর জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি এখন চেষ্টা করেন, যাকে যা বলার তা সময় থাকতে বলে দিতে। ভালো লাগা, খারাপ লাগা বা অভিমান কিছুই আর চেপে রাখতে চান না। কারণ অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক কথা অপূর্ণ থেকে যায়। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘অভিমান’ ছবিতেও অভিনয় করেছেন যিশু, যা ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলেছে।






