রাজ্যজুড়ে আজ চলতি মাসের দ্বিতীয় লকডাউন জারি রয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহর থেকে গ্রামাঞ্চল, রাজ্যের সর্বত্রই লকডাউন কার্যকর করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ। বন্ধ রয়েছে বাজার দোকানপাঠ। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বসেছে পুলিস ব্যারিকেড। একই ছবি ধরা পড়ল জেলাগুলিতেও।
সকাল থেকে কলকাতার রাস্তাঘাট কার্যত শুনশান। আর লকডাউন অমান্য করে রাস্তায় বেরোলেই তাঁদের লাঠি উচিয়ে তাড়া করছেন পুলিসকর্মীরা। এছাড়া চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। পথচলতি মানুষ থেকে বাইকআরোহী, সাইকেল, প্রাইভেট গাড়িতে বেরোনো মানুষজনকে রাস্তায় বেরোনোর কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। যথাযথ কারণ দেখাতে বা পারলে তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে আইনি পদক্ষেপও।
শহরের বড়ো বড়ো রাস্তা যেমন ধর্মতলা ও পার্কস্ট্রিট জুড়ে কলকাতা পুলিস কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। তবে রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও গলির মুখে জমাট বেঁধে আড্ডার ছবি চোখে পড়ছে। তাই সেদিকেও নজরদারী চালাচ্ছে পুলিশ। কোনো কোনো সবজি বাজার আংশিক খোলা থাকলেও সেখানে ভিড় অনেক কম। তেঁতুলতলা বাজার, কালনাগের বা পৌরসভার ঝুরঝুরে পুলের সবজি ও মাছের বাজারে ভিড় বেশ কম।
শহরের পাশাপাশি জেলাতেও এর অন্যথা হয় নি । বর্ধমানের রাস্তাও প্রায় লোকহীন। গাড়ির সংখ্যাও প্রায় নেই এর সমান। তবে তারমধ্যেও কিছুজন রাস্তায় বেরিয়েছেন। অনেকে আবার মাস্কই পড়েননি।
অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মানুষ কিছুটা লকডাউন অমান্য করেই রাস্তায় নেমেছে। এমনকি অবাধে ঘোরাঘুরি থেকে শুরু করে রাস্তায় গাড়ি সবই চলছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় কিছু দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে। পুলিশের নজরদারীতে চলছে কড়া লকডাউন। একমাত্র জরুরি পরিষেবার জন্য মানুষকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।






