আর মাত্র এক মাসের অপেক্ষা, এরপরই ভোরবেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ কণ্ঠে শোনা যাবে, “আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জির”। শুরু হতে চলেছে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। এবার সেপ্টেম্বরে শুরু হবে দেবীপক্ষের সূচনা। অক্টোবর মাসের শেষে হবে আসল পুজো। এর মধ্যেই চ্যানেলে চ্যানেলে মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তুঙ্গে উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশ এসেছে স্টার জলসার মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের এক ঝলক। সেখানে দেখা যাচ্ছে দুর্গারূপে অভিনয় করতে চলেছেন অভিনেত্রী-সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। এই ছবি প্রকাশে আসতেই মিমিকে নিয়ে চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের বন্যা।
স্টার জলসায় এই অনুষ্ঠানের পরিচালনায় রয়েছেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। এবার মহিষাসুরমর্দিনী কাহিনীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবে অকাল বোধন এর গল্প। সেখানে সীতা রূপে দেখা যাবে মধুমিতা সরকারকে এবং রামের ভূমিকায় অভিনয় করছেন জীতু কামাল। মুম্বাইয়ের এখন অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা রাজেশ শর্মা করছেন রাবণের চরিত্র। মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানকে নব প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য অল্পস্বল্প সৃজনশীলতা এনেছেন পরিচালক।
কিন্তু মিমিকে নিয়ে যে পরিমাণে সমালোচনা শুরু হয়েছে তা সামলানো একপ্রকার মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মিমির কপালে আঁকা ত্রিনয়ন, মাথায় মুকুট জোড়া,লাল বেনারসি, টানা ঘন কাজল কালো চোখ এবং সোনালী অলংকার পরিহিতা রূপ দেখে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বাঙালি। তাদের সাফ বক্তব্য, আপনাকে মানাচ্ছে না দুর্গা হিসাবে। দুর্গার হাতে আবার ট্যাটু থাকে নাকি? এই কাঠ কাঠ চেহারায় কোন লাবণ্য নেই; কী করে মা দুর্গার রূপে আপনাকে নিল স্টার জলসা? ইত্যাদি বিতর্কিত প্রশ্ন-মন্তব্যে ভরে উঠছে নেট পাড়া।

অনেকে আবার মন্তব্য করেছেন, “করোনার মধ্যে ছোট বাজেটে মহালয়াতে অভিনয় করার জন্য যা পাওয়া গেছে তাতেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হবে”। অনেকেই মিমির গায়ে সোনালী অলংকার দেখে বলেছেন তিনি কোন গয়না বিপণির বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।
যদিও মিমি এখনো পর্যন্ত এই ব্যাপারে কোন রকম মন্তব্য করেননি।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার