কিছুটা হলেও কমতে পারে করোনার ভয়। এই ভয়াবহ সংক্রমণকে হারিয়ে জিততে পারে পৃথিবী। আর তার জন্য দরকার প্রতিষেধক। কবে গবেষকেরা প্রতিষেধক সংক্রান্ত আশার বাণী শোনাবেন, তা জানতে বিশ্ববাসী দিন রাত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এই পরিস্থিতিতেই বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। এই ভ্যাকসিনের নিয়ে কার্যকারিতা প্রসঙ্গে বিশ্বের তাবড় গবেষকেরা। তবুও নিজের দাবী থেকে সরতে নারাজ রাশিয়া।
রাশিয়ান প্রতিষেধক “স্পুটনিক-ভি” সম্পর্কে যতই বিতর্ক থাকুক, রাশিয়ান ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। এবার, রাশিয়ান ভ্যাকসিন “স্পুটনিক-ভি”এর ট্রায়াল’ সংক্রান্ত গবেষণার রিপোর্ট এবং কার্যকারিতা সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠালো ভারত। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাশিয়ান ভ্যাকসিনের কার্যকরীতা সম্পর্কিত খুঁটিনাটি তথ্য পৌঁছে গেছে ভারতীয় গবেষণা সংস্থায়।
প্রসঙ্গত, গত ১১ই আগস্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, রাশিয়ান ভ্যাকসিনটিকে অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এবার অতি শীঘ্রই বিশ্বের প্রথম করোনা প্রতিষেধক বাজারে আসবে। পুতিনের দাবি ছিল, স্বয়ং তার কন্যার শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। এরপর তিনি জানান, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশের তরফ থেকে রাশিয়ান ভ্যাকসিন সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে রাশিয়ার প্রতিনিধি প্রতিষেধক সংক্রান্ত তথ্য সম্বন্ধে ভারত সরকারের সাথে বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার গামালেয়া ইনস্টিটিউটের সাথে বেশ কিছুদিন ধরেই ভ্যাকসিন সংক্রান্ত আলোচনা চালাচ্ছে ভারতীয় দূতাবাস। ভারতের আইসিএমআর এবং বায়োটেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকেও রাশিয়ান ভ্যাকসিনের গবেষণার তথ্য চাওয়া হয়েছে। ফলে, “স্পুটনিক’ ভি” ভ্যাকসিন নিয়ে ভারত এবং রাশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু হয়ে গেল।





