এবার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীর হামলার শিকার হলেন রাজা রামচন্দ্র ঘাট রোড-এর বাসিন্দা বছর ৬৮-র বিশ্বনাথ দে (Biswanath Dey)। আর এই হামলার পিছনে মূল মাথা হিসেবে উঠে এসেছে স্থানীয় রাজু পাল (Raju Pal) ওরফে টুটুনের নাম। আক্রান্ত দম্পতির মেয়ে শর্মিষ্ঠা কওল(Sarmistha Kaul)-এর অভিযোগ ‘২০১৭ সালে সোদপুরের ৪নং দেশবন্ধু নগরে (4no.Deshbandhu Nagar,Sodepur) তাঁদের পৈত্রিক বাড়ি প্রমোটিং হয়। পরে ওই বছরই তাঁর বাবা নিজের অংশটি বিক্রি করে দেন। আর এরপরই ঝামেলার সূত্রপাত হয়। ওই এলাকারই কিছু ছেলে তাঁর বাবার কাছে গিয়ে ১ লাখ টাকা দেওয়ার দাবি জানায়।’
কিন্তু বৃদ্ধের পক্ষে ওই বিশাল অঙ্কের টাকা দেওয়া সম্ভবপর ছিল না। টাকা না দেওয়ায় দীর্ঘদিন যাবৎ চলে হেনস্থা। আর এই ঘটনার পিছনে প্রধান অভিযুক্ত ছিল টুটুন। আক্রান্তের মেয়ের কথায় ‘বিগত এক বছর আর কোন রকম ঝামেলা করেনি অভিযুক্ত। এখন কি সর্বসম্মুখে সে কোনরকম টাকা পায়ও না এবং চায়ও না এমনটাই জানিয়েছিল।’ কিন্তু হঠাৎই গতকাল রাত ৮ টা ৪৫ মিনিটে তাঁর বাবার বাড়ি থেকে একটি ফোন আসে। ফোনে জানানো হয় তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর মদ্যপ অবস্থায় হামলা চালিয়েছে টুটুন এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা। খুনের হমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় বৃদ্ধকে। চলে ভাঙচুর।
এরপরই শর্মিষ্ঠা দেবী তার স্বামীকে নিয়ে নিজের বাপের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে টুটুন সদলবলে আক্রমণ করে শর্মিষ্ঠা দেবীকে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁর জামাকাপড়। করা হয় শ্লীলতাহানি। আক্রান্ত শর্মিষ্ঠা দেবী খড়দা পুলিশ স্টেশনে (Khardha Police Station) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর(FIR)করতে গেলে পুলিশ শুধুমাত্র জিডি(GD) নিয়ে শর্মিষ্ঠা দেবী ও তাঁর স্বামীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
কিন্তু হঠাৎই কিছুক্ষন পরেই ফোন আসে পুলিশের তরফে। অভিযোগের সুরে পুলিশ শর্মিষ্ঠা দেবীকে জানায় – আপনারাই ওই স্থানীয় ছেলেদের উপর হামলা চালিয়েছেন। কেনও উত্তর দিন? এমন প্রশ্নের উত্তরে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শর্মিষ্ঠা দেবী। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার বদলে খড়দা পুলিশ উল্টে তাঁদেরই দোষী সাব্যস্ত করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেন শর্মিষ্ঠা দেবী। ফেসবুক লাইভে(Facebook Live) এসে দেন সম্পূর্ণ ঘটনার সবিস্তারে বর্ণনা। দেখুন ভিডিও-





