মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে বাড়ি ভেঙে দিয়ে গেছে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) প্রশাসন। বাড়ির নির্মাণ কার্যে গলদ রয়েছে এই অভিযোগে বৃহন্মুম্বাই পুরসভার (Brihanmumbai Municipal Corporation) তরফে বুধবার ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলিউডের অন্যতম সফল ও বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের(Kangana Ranawat) পালি হিলসের অফিস বাড়ির প্রায় ৪০ শতাংশ অংশ।
সম্প্রতি কঙ্গনা রানাওয়াত মুখ খুলে ছিলেন মহারাষ্ট্র প্রশাসনের(Maharashtra Government) বিরুদ্ধে। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্যকে পাকিস্তানের(Pakistan) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। আর তার পরপরই অভিনেত্রীর বাড়ির নির্মাণে কাঠামোগত নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে এই অভিযোগ এনে মাত্র চব্বিশ ঘন্টার নোটিশে ভেঙে দেওয়া হয় কঙ্গনার এই বাড়ি। খবর, প্রায় ২ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি বুধবার ভেঙেচুরে নষ্ট করে দিয়ে গেছে বৃহন্মুম্বই কর্পোরেশন। বোম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court) তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে জানিয়েছে বিএমসির এই নির্নয় ‘খারাপ উদ্দেশ্য’ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাত্র চব্বিশ ঘন্টার নোটিশেই কেনও সম্পত্তি তছনছ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বম্বে হাইকোর্ট। নিজেদের হলফনামায় বৃহন্মুম্বাই পুরসভা জানিয়েছে নিয়ম মেনেই বাড়ি ভাঙা হয়েছে।
https://twitter.com/KanganaTeam/status/1304071986134491143?s=20
বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এইদিনই নিজের স্বপ্নের ঝাঁ-চকচকে অফিসের ধ্বংস স্তূপ ঘুরে দেখেন কঙ্গনা রানাওয়াত। যা দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি নায়িকা। তবুও ভেঙে পড়েননি তিনি। বরং গর্জে উঠে টুইটারে(Twitter) লিখলেন, এই অফিসের ধ্বংসস্তূপ তিনি সরাবেন না। বরং সেই ধ্বংসস্তূপে বসেই কাজ করবেন।
কিন্তু তার মতো অভিনেত্রী ধ্বংসস্তূপে বসে কেনও কাজ করবেন? উত্তর দিয়েছেন কঙ্গনাই। তাঁর কথায় ‘আমি ১৫ জানুয়ারি আমার এই অফিসের সূচনা করি। এর কয়েক দিনের মধ্যে করোনা আমাদের সকলের জীবনে আছড়ে পড়ে। অনেকের মতোই আমার হাতেও এই সময়ে কোনও কাজ নেই, তাই আমার পয়সা নেই এর পুর্নিমাণের জন্য। আমি এই ধ্বংসস্তূপে বসেই কাজ করব। ছারখার হওয়া এই অফিসটা থাকবে এক জন নারীর প্রতিবাদের প্রতীক চিহ্ন রূপে। যে এই দুনিয়াতে শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চেয়েছিল’,টুইটারের দেওয়ালে লিখলেন কঙ্গনা।





