সুশান্তের সাড়ে চার কোটি টাকার এফডি ৪৮ ঘণ্টায় এক কোটিতে রূপান্তর! রিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর এক মাসেরও বেশি সময় পরে অভিনেতার বাবা কে কে সিং রিয়া চক্রবর্তী এবং আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিলেন। সেই এফআইআর-এ তিনি রিয়া ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছিলেন। এই টাকা হস্তান্তর হয়েছিল কোন অজানা একাউন্টে এরকমটাই দাবি করেছিলেন কে কে সিং। এরপরেই এই মামলা চলে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছে। এবার তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সুশান্তের সাড়ে চার কোটি টাকার এফডি ৪৮ ঘণ্টায় এক কোটিতে রূপান্তর! রিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ

সুশান্ত সিং রাজপুতের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ নিয়ে দুটি নতুন ফিক্সড ডিপোজিট তৈরি করা হয়েছিল! গত বছর ২৬শে নভেম্বর দু’কোটি এবং আড়াই কোটি টাকা মূল্যের দুটি এফডি করা হয়েছিল। এবং দু’দিনের মধ্যেই সাড়ে চার কোটি টাকা এক কোটি টাকায় রূপান্তরিত হয়েছিল!

সুশান্তের সাড়ে চার কোটি টাকার এফডি ৪৮ ঘণ্টায় এক কোটিতে রূপান্তর! রিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ

গত মাসেই রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে সুশান্তের হাউসকিপার স্যামুয়েল মিরান্ডার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মিউচুয়াল ফান্ড এবং ফিক্সড ডিপোজিট সংক্রান্ত কথাবার্তা প্রকাশ্যে চলে আসে।টাইমস নাউ-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়া যখন স্যামুয়েলকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “মিউচুয়াল ফান্ড অ্যান্ড এফডি মে মেইন কিতনা পয়সা হ্যায়?” স্যামুয়েল তার জবাবে একটি পিডিএফ ডকুমেন্ট পাঠিয়েছিল যা দেখিয়েছিল যে সুশান্ত তার এফডি এবং এমএফ-তে কত টাকা রেখেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্টটিতে সাড়ে চার কোটি টাকা ছিল। গোটা ঘটনায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রীতিমতো জোরালো হচ্ছে।

সুশান্তের সাড়ে চার কোটি টাকার এফডি ৪৮ ঘণ্টায় এক কোটিতে রূপান্তর! রিয়ার বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ

এছাড়াও রিপাবলিক টিভি স্টিং অপারেশনে সুশান্তর গাড়িচালক দাবি করেছিলেন যে রিয়া সুশান্তকে ড্রাগ দিতেন। সুশান্ত সমস্ত টাকা-পয়সার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছিলেন রিয়া। গোটা বাড়ির ভার নিয়েছিলেন রিয়া এবং কর্মীদের ছাঁটাই করতে শুরু করেছিলেন।সুশান্তের বাড়ির কর্মীরা বলতে শুরু করেছিলেন যে গোটা বাড়িতে রিয়া রাজ চলছে।সুশান্তের ড্রাইভার রজতকে রিয়া নিজের বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর গাড়ি চালাতে পাঠিয়েছিলেন।

আমরা যখনই ফোন করতাম রিয়া চক্রবর্তী বলতেন যে সুশান্ত ঘুমাচ্ছে। একটা মানুষ কত ঘুমাতে পারে? এর মানে এটাই হতে পারে যে রিয়া সুশান্তকে কিছু দিচ্ছিলেন। এমনকি রিয়ার গাড়ি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই গাড়িচালক। তার বক্তব্য, “আমার মনে হয় না সুশান্তের সঙ্গে দেখা করার আগে এটা রিয়ার গাড়ি ছিল।”

RELATED Articles

Leave a Comment