উৎসবের রেশের মধ্যেই বঙ্গে বেজে উঠেছে ভোটের দামামা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পড়েছে সাজো সাজো রব। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ বাংলার মসনদে ক্ষমতা বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট। বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীক্ষায় ইতিমধ্যেই বলে দিচ্ছে যে আগামী বছর তৃণমূলকে সরিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এমতাবস্থায় নিজেদের জমি ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে শাসক দল আর বিজেপি ঝাঁপিয়ে পড়েছে বাংলাতে নিজেদের রাজত্ব কায়েম করতে। ফলে লড়াই এখন হাড্ডাহাড্ডি।
লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে রাজ্য বিজেপির কমিটিতে অনেক রদবদল হবে এবং অনেকের ধারণা ছিল এই রাজ্যের যিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক সেই কৈলাস বিজয়বর্গীয় কে সরিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার সরাসরি রাজ্য বিজেপি কে পরিচালনা করবে।
যদিও গতকাল জানা গেল যে এই ধারণা ভুল এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ফের কৈলাস বর্গীয়কেই বেছে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক হিসাবে। তার সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অরবিন্দ মেনন এবং সেইসঙ্গে বিজেপি আইটি সেল এর প্রধান অমিত মালব্যকেও একই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা শুক্রবার বাংলার পর্যবেক্ষক হিসাবে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নাম অনুমোদন করেন।
তবে এই বছর শিকে ছিঁড়েছে অনুপম হাজরা, বাঁকুড়ার সাংসদ ডঃ সুভাষ সরকার এবং বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার-এর। বস্তুত এই বছরটা ডঃ অনুপম হাজরার বেশ ভালই যাচ্ছে। এর আগে রাহুল সিনহাকে সরিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সম্পাদক মন্ডলীর অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
এবার শুক্রবার বিকালে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানিয়ে যখন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় পর্যবেক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন সেখানেই দেখা যায় এই বঙ্গ বিজেপি নেতাদের নিজের রাজ্যের পাশাপাশি অন্য রাজ্য সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুকান্ত মজুমদার সিকিমের পর্যবেক্ষক হয়েছেন, অনুপম হাজরা বিহার সহ-পর্যবেক্ষক করবেন এবং সুভাষ সরকার ঝাড়খণ্ডের সহ-পর্যবেক্ষক হিসাবে মনোনীত হয়েছেন।






